সব নেতাদের যদি সংগীত শেখানো যেত—
তবে পৃথিবীটা হয়তো একটু বদলে যেত।
কারণ যে মানুষ সুরের গভীরতা বোঝে,
সে কখনো রক্তের রঙে রাজনীতি সাজাতে পারে না।
গানওয়ালারা যুদ্ধ করে না—
তারা শত্রু খুঁজে বেড়ায় না,
খোঁজে শুধু ভাঙা মানুষের ভিতরে
একটা নিরাময়ের আলো,
যেখানে শব্দ হয়ে ওঠে শান্তি।
ভাবি, যদি ক্ষমতার টেবিলগুলোয়
তরবারি নয়, বসত কিছু হারমোনিয়াম,
দেয়ালের মানচিত্রের জায়গায়
টাঙানো থাকত প্রেমের কোনো রবীন্দ্রসঙ্গীত—
তবে কি এত সীমান্তজ্বালা থাকত?
যে নেতা প্রতিদিন একটু করে গান শেখে,
সে জানে কর্ড বদলাতে কত ধৈর্য লাগে,
তবেই বোধগম্য হতো
মানুষের মনও তেমনি ছুঁতে হয়
নরম আঙুলে, কোমল কথায়।
যোদ্ধারা অস্ত্র ঘষে,
কিন্তু গানের মানুষ ভোরে ওঠে
স্বপ্ন ঘষে,
আকাশের নীলটাকে আরও নরম করতে।
তাই আজ মনে হয়—
যদি সবাই রাজনৈতিক প্রতিশ্রুতির বদলে
একটা করে গান শিখত,
তবে পৃথিবীর শব্দ আরও মোলায়েম হতো।
হয়তো যুদ্ধ কমে যেত,
কারণ যে হৃদয় গানে ভরে থাকে
সে হৃদয় আর কারো ক্ষতি করতে পারে না।