নন্দিত আবীরে প্রাণবন্যার বাঁধনহীন ঝংকার
সপ্ত সাগরের উদ্দাম ঢেউমালা, নৃত্যমুদ্রার তাল লয়
ভোরের বাতাসে রোদের ঘ্রাণ,অলিন্দে চঞ্চল চড়ুই দম্পতি
আবেগ উচ্ছ্বাস,আপন ভাষায় প্রেমশৈলি
তানপুরাতে রহস্য লহরী সুরের মায়াবী আবেশ
ডাহুক ডাহুকী গভীর প্রেমের ডুবুরী নিকুঞ্জ আধার।
আনন্দ নিঃশ্বাস আবীর উচ্ছ্বাস অরণ্যে ঢলো ঢলো লাবণ্য
সোনালী চূর্ণ গুঁড়ি গুঁড়ি আলো প্রহেলিকা খেলে আমলকি শিরীষ জারুলের বনে
কৃষ্ণচূড়ার দেহে যৌবনের আগুন,প্রেমভূক নর-নারীর স্বপ্নময় সাঁকো
সুষুপ্তির কোলে ঢলে পড়ে নিশাচর প্রাণী ও মানুষ।
আঁধার-সম্রাজ্ঞী অতি মানবী লিলিথ মানুষের কাম্য নয়
ভোরের আবর্ত ঘুরে ঘুরে আসে যেমন গ্রহদের কক্ষপথ
নন্দিত ভোরে দিব্য চোখ মেলে আকাশ দরজা খোলে
প্রাচীরের ওপারে স্বপ্নেরা বীজ বুনে হৃদয়ের কোন অতল তলে
ঘ্রাণেন্দ্রিয় ইস্পাতের ধারালো ফলা অঙুলির স্পর্শ-পাগল।
অজান্তে জ্বলে ওঠে প্রাণবন্যার বাঁধনহীন যৌবন ঝংকার
মায়া মরীচিকা সর্বনাশা খেলে কীর্তিনাশা নদীর ওপার
আপন মনে ক্রীড়ামগ্ন থাকে কেলিরত রাজহংসীর দল
ফাল্গুণী বাতাস ধাওয়া করে কোন এলোকেশীর উদোম চুল।
ভোরের স্নিগ্ধ নন্দিত আবীরে তোমাকেই দেখার বাসনা প্রবল
হৃদয় উৎসারিত আবেগের সিঁড়িপথটি ধরে
প্রেমের অনিমেখ শিখা জ্বেলে ছুটে এসো,আমার দিকে ছুটে এসো
বাঁধনহীন প্রাণবন্যার মাহেন্দ্রক্ষণ তোমার আঁচলের সুঘ্রাণ নিভৃতে ধারণ করি
ললিত আবেগে কম্পিত হৃদয়ে দুটি হাত প্রসারিত করে রয়েছি
ছুটে এসো,আমার দিকে ছুটে এসো এলো কেশে ঝুলিয়ে লাল গোলাপের কুঁড়ি।