এই শহর আমি ভুলবো কেমনে,
এই শহরে এসে স্বপ্ন দেখেছি!
আমার তরতাজা প্রাণ মন যৌবন,
বিশ্ববিদ্যালয়ের ছাত্র ছিলাম।
রামপুরা থেকে সদরঘাট প্রতিদিন,
মোটর গাড়ি চড়ে যেতাম সবে।
জগা বাবুর পাঠশালায় জগন্নাথে,
অর্থ অভাবে হাহুতাশ করেছি!
ডিআইটির ঘড়ি,লালবাগকেল্লা,
ফুটবল খেলার মাঠে,নবাব-বাড়ী
বুড়িগঙ্গার তীর,বিমানবন্দর,
মিরপুরের চিড়িয়াখানার বন্য প্রাণী
সিনেমা দেখা আর ঘুরাঘুরি,
এই শহরের সৌন্দর্য দেখতে ছুটেছি।
এই শহরে গর্ব করার মতো আছে কি?
নেই সবুজ বনানী হাওর হ্রদ নদী!
ছিলোনা সুরম্য প্রাসাদ অট্টালিকা,
একটুখানি ছায়াশীতল সবুজের বাগ
রমনাপার্ক সোহরাওয়ার্দী উদ্যান।
সেখানে কবির কেটেছে বহুসময়
শুনে বসন্তে কোকিলার কুহ কুহ ডাক।
চানাচুর আর বাদাম টিপাটিপি যুবক
যুবতী বৃদ্ধ বৃদ্ধার বিনোদনের ঘুরাঘুরি
কবির মনে সাজাতো কবিতার ঢালি।
টিএসসি আর শাহবাগের মোড় ছিলো
ছাত্র-ছাত্রীদের দারুণ আড্ডার ঘর।
কবিতা দোলায়িত মন আজও দুলছে
কবিতার পঙতি হয়ে অন্তরে বারেবারে
এই শহর আমি ভুলবো কেমনে?