একটা পাখি ডাকা ভোর আর হবে না,ঘুঘু ডাকা একটা দুপুর আর ফিরবে না। ঝোপের দ্বারে লেজ উঁচিয়ে টুনটুনির সেই প্রেমালাপ নিরন্তর মধুর সুর,ঘরের পিছন থেকে শুনবো না।।
বসন্তের ভোরের কোকিলার কুহুধ্বনি,চৈতালীর “চৈতারবউ” ডাক শুনবো না ! কার্তিক মাসে বৈশাখের জল শুকনো,খালে বিলে ধবধবে বকের দল দেখবো না! জলাধারে কচুরিপানার ভিড়ে আষাঢ় মাসে ডাহুকের কর্কশ সুর ধ্বনি আর শুনি না।।
নিঝুম অমাবস্যার রাতে হুতুম পেঁচাদের কর্ণবিদারী বিভৎস কুহূতানে মন ভিতু হবে না! পূর্ণিমার চাঁদের আলোয় উঠোনে নেচে গেয়ে রজনী কেটেছে,এসব কোথায় হারিয়ে গেলো??
পাড়ার ছেলেমেয়ে সন্ধ্যা কালে চাঁদের জ্যোৎস্নায় খেলেছে কানামাছি, চোরচোর, লুকোচুরি,এখন কেউ খেলে না। এমন করে হাম্ নাত্ গজল পুঁথি গীত গাইতো বুবুজান কান পেতে শুনে পারার সবে জোরাতো প্রাণ,এমন দিন কখনো পাবে না।
একটা পাখি ডাকা ভোর আর হবে না,কে বলবে বাঙালী? কি
কাজ অবশিষ্ট থাকবে পৃথিবীতে আমার বাঙ্গালী পরিচয়ে??
বনশ্রী,, ঢাকা।
১৬/০১/২০২৫