ব্যথার এক অধ্যায় পেরিয়ে,
শরীর লিখেছে এক যন্ত্রণার অনুচ্ছেদ।
রক্তহীন রুগ্নতা কায়া যেনো রাত্রির অন্ধকার,,
তবুও হৃদয়ে জেগেছিল এক পঙক্তি আলো আশার।
জীবন মৃত্যুর সূক্ষ্ম দোলাচলে যখন,
প্রত্যাশিত নির্ভরতার হাত ক্রমে দূরে সরে যায়,
শীর্ণকায় শরীর যখন আশাহত নিস্পলক মিথ্যে মরীচিকায় ,
তখন অগণিত বন্ধুর কন্ঠে বেজে ওঠে প্রার্থনার নীরব ঝংকার।
কে বলে আমি একা ছিলাম ?
শয্যার নিঃশব্দ আকাশে আমি শুনেছি –
অগণিত বন্ধুর কন্ঠে জীবনের জয়গান,
তোমাদের ভালোবাসার আলোকধারা – যা মৃত্যুকেও দেয় হুঙ্কার।
হয়তো তখনও কলম ছুঁতে পারিনি,
তবুও আমি ফিরেছি, কিছুতেই হারিনি।
তোমাদের নিঃস্বার্থ ভালোবাসায় আমি ধন্য,
প্রতিটি শুভকামনাই যেনো এক একটি কবিতার জন্ম।
হাসপাতালের ধূসর নীরবতা পেরিয়ে,
আজ পুনরায় প্রত্যাবর্তন শব্দের ঘরে,
কলম উদ্ভাসিত এক নতুন জীবনে,
এ ফেরা নয় কেবল আরোগ্যের,
এই ফেরা ভালোবাসার, কৃতজ্ঞতার আর ঋণ স্বীকারের।
তাই আজকের কবিতায় নেই কেবল আমি,
রয়ে গেছো তোমরা সবাই –
যারা নিঃশব্দ প্রার্থনার মঙ্গলদ্বীপে ,
জ্বেলে রেখেছিলে লুপ্ত চেতনা আমার।
আমি আবার এসেছি ফিরে,
শব্দের পথ বেয়ে, ভালোবাসার দীপ্ত এক সকাল নিয়ে ..।।