সাদা কালো মেঘের ভেলা দ্রুতলয়ে ভেসে যাওয়ার খেলা ঘনঘোর ক্ষীণকায় আলোর জ্যোতি পড়েছে ঘুমঘুম নয়নে।
বিজলীর চমকে বজ্রের শব্দে কান আচমকা কেঁপে উঠছে।
বাণবর্ষণে গাছ গুলো দুলছে,পাখির কষ্ট খবর কে রাখছে।
কুকুর বিড়াল ভিজেভিজে এ ঘর ও ঘর দ্বারে দ্বারে ঘুরছে, মাঝে মাঝে কাক গুলো উড়ে উড়ে খাবারের খোঁজ করছে।
পিচ্ছিল কাদামাটির উঠুনে বুড়ো-বুড়িরা সাবধানে হাঁটছে।
দুষ্টু ছেলে- মেয়ের দলে কাদামাটিতে জলকেলি খেলছে।
এ ঘর ও ঘরে যেতে পিছলে পড়ে তামাশার হাসিতে হাসছে।
এমন দিনে তারে বলা যায়,কি বলা যায়; কেনো বলা যায়? কবি নিরবে বলেছে ওগো তোরা কেউ যাসনি ঘরের বাহিরে ।
বাড়ীর গৃহিণী ভিজা উনুনে ব্যস্ত ভোজনবিলাসীর হেঁসেলে,
দারুণ রসনাবিলাসে আজি জেগেছে তার মনের মন্দিরায়; ঝুলঝাল হাঁসের গোস,ভুনাখিচুড়ি রাঁধে কষি দারুণ উৎসবে।
বর্ষার অঝোর বৃষ্টি কৃষাণ কৃষাণীর কানে বাজে সুখের বীণ,
খালবিল পুকুরে বর্ষার টইটম্বুর জলে,ব্যাঙ ডাকে বিরামহীন। বর্ষার অপূর্ব রূপমাধুরী আকুল করে প্রাণ জুড়ে সুমধুর বায়ে,
আমার যৌবনের একযোগ কেটেছে ঐ রূপসী সোনার গাঁয়ে।
কাছ থেকে বর্ষার স্বরূপ দেখেছি নয়নে আষাঢ়ের এই দিনে,
আজ উথলে উঠিল মন নতুন করে বর্ষার স্বরূপ অন্বেষণে।