এমন কিছু পুরুষ আছে
নারীকে সম্মান দেয়;
সিঁড়িতে চাতক চোখে বসে থাকা কোমল নারীকে
প্রেমহীন হাতে টেনে নিয়ে যায় ঘরের কোণায়।
নিজে দিগ্বিজয়ী হয়ে থাকে রাজবেশে,
কামনার বহ্নিশিখা দহন জ্বালায় জ্বলে।
অনেকে নারীকে টেনে নেয় বুকের মহুয়া বনে,
যত্নে ক্রীতদাসী করে রাখে সংসার নামক ঐ বদ্ধ খাঁচায়।
কখনো সে হয় রক্ষাকারী,
কখনো সে হয় মরণ কামড়;
পুরুষের কাজে কোনো ধর্ম নেই, বর্ণ নেই,
নারীর কাজেই যত অদ্ভুত বিপত্তি!
অভিমানে ঐ ক্রীতদাসীর..
ঠোঁট কাঁপে তো ঐ পুরুষের কাঁপে জিভ,
ঐ ক্রীতদাসীর জিভ কাঁপে…
তো ঐ পুরুষের কাঁপে কণ্ঠ !
ঐ ক্রীতদাসীর কণ্ঠ কাঁপে,
তো ঐ পুরুষের কাঁপে হাত !
এরপর… এরপর ?
এরপর কখনও ঐ ক্রীতদাসী শোভা পায় ঘরের কোণায়,
তার বোবা কান্না কেউ দেখতে পায় না।
সহ্য না করতে পেরে…
কখনও ঘরের সিলিং ফ্যানের সাথে ঝুলিয়ে দেয়।
কখনও ঘরের পেছনে গাছের ডালে ঝুলন্ত রশিতে দোলে,
কখনও উন্মত্ত তিতাসের বুকে ঝাঁপিয়ে পড়ে হারিয়ে যায়;
নীরবে মৃত্যুর স্বাদ নিয়ে মহাকালের গর্ভে বিলীন হয়।
কখনও অসুর পুরুষের বাহুতলে নিদ্রা যায়,
নিরন্তর মুখ বুজে সহ্য করে যায়,
মৃত্যুর জন্য অপেক্ষা করে;
অনন্ত জীবনে যদি সুখ মেলে।
১৯.০৭.২০২১…