মরণ থেকে পালাও তুমি মরন তোমারে লইবে ঘিরি,
যদিও সুদূর আকাশ পানে লুকাও সেতাই লাগিয়ে সিঁড়ি।
এই মহা রোগের চিকিৎসক নাই নাই সে ঔষধ জগতে,
খুঁজিয়া কাতর হইলে কি হবে পারিবে না তাহারে ফিরাতে।
ক্ষমাশীল তিনি সপ্ত আকাশ রচিলেন থরে থরে,
কোন প্রীতি ত্রুটি হেলিবে না তার পূর্ণ সৃজন পরে।
আর বলিব না তাহারে ভালোবেসে ফিরে এসে মোরে বলো,
কি পাইয়া কি কি হারাইয়াছো কি দশা তোমার হলো।
চাহ তুমি তাহার সৃষ্টি পানে দেখো কিছু ভুলছো খুঁত
ফিরাও তোমার নয়ন খানি ফিরাও তোমার সে সুন্দর মুখ।
কার করুণাই পৃথিবীতে এত সুন্দর ফসল ফল হাসে,
বর্ষার মেঘের নদনদীর স্রোতে কার কৃপা নিয়ে আসে।
বল দেখি সবে শুকাইয়া যায় যদি এই জমিনের সমস্ত পানি,
তাহলে হেতায় তটনির দ্বারাই কে সবারে আনি।
বল দেখি সবে পাখিটি কেমনে মেলি দুটি লঘু ডানা,
উড়িয়া বেড়ায় শূন্যের উপরে নাহি তার মানা।
আবার সেই ডানা গুঠিয়া চলে কিন্তু পড়ে না তবু
বল কে তারের শূন্যে রেখেছে ভিন্ন এক প্রভু।।।