সাড়ে তিন হাত মাটির দেহে আছো মন প্রাণ লুকিয়ে,
সাড়ে তিন হাত মাটির ঘরে যাবে মাটির দেহ ঘুমিয়ে।
ভোলা মন, তোমার আমার চির বসত সে মাটির ঘর,
মাটির দেহ মাটির সাথ মিশে যায়,কেউ না লয় খবর।
দরজা নেই, জানালা নেই, নেই সমীরণ, নেই বিছানা,
জীবনের ডাক পড়বে যখন শুয়ে যেতে হবে আপনা।
ওরে মন প্রাণ, মরণে কী তোমার পরিচয় একটু শুনি,
কী নিয়ে কর বাহাদুরি, কার জন্য কর কত কী গুনি।
এসেছি একা,যেতে হয় একা, থাকতে হবে চির একা,
নেই জল-ফল, হবে না কথা, হবে না কার সাথ দেখা।
ফিরতি টিকেট নিয়ে এসেছি পোষাকহীন শুন্য হাতে,
যেতে হবে সংকোচঢাকা তিন টুকরা কাপড়ের সাথে।
দুনিয়ার অর্থ সম্পদ সবই পড়ে থাকে এই দুনিয়াতেই,
পরিবার পরিজন সবই পর প্রমাণিত বেঁচে থাকতেই।
কবে কে কী নিয়েছে সাথ,যদি বল অবুঝ পাগল মন,
কেন হানাহানি কাড়াকাড়ি সঞ্চয় ভুরিভুরি কর ভুবন!
মাটির পোকা খাবে মাটির দেহ, ভবপোকা খাবে লাভ,
জানিনা কবর আযাব,জানিনা অনন্ত কালের হিসাব।
সঙ্গীবিহীন আঁধার মাটির ঘর, ভাবতেই কাঁপে অন্তর,
ওরে প্রাণ মন,হবে কবে হুশ,সময় থাকতে সুপথ ধর।