অনাদি কালের বন্ধু আমরা ছিলাম একসাথে,
কাটিয়েছি সুখ দুঃখের প্রহর গুলো হাতে হাত
রেখে ছিলাম হংস মিথুন কথায় মুখর।
সুখ স্বপ্নে কাটতো দিন খুশিতে বিভোর,
চাঁদনী রাতে দু’জনে কেবলই করেছি খুনসুটি,
তুমি ইচ্ছে করেই খেলার ছলে আনমনে ছুঁয়েছো
আমার সীমান্ত রেখা।
তোমার অবাধ্য চুল ঝুলতো পিঠে রাশি রাশি
দেখেছি মুখের পরে বুকের পরে পড়তো আসি,
আমরা দু’জন মুখর হতাম অকারণ হাসিতে
মৃদুমন্দ বাতাস করতো খেলা লুকোচুরি।
উড়তো বসন চলতো কত হুটোপুটি তা যতই
ভুলতে চাই যেতে চাই বহুদূর
জড়াও ততই আষ্টেপৃষ্টে অষ্টপ্রহর।
ভেঙে গেছে খেলাঘর কানে বাজে শুধু সেই কন্ঠ
পাহাড় সম ব্যথা বুকে নিয়ে আমি নিথর,
তুমি আজ কেমনে হলে এমন পাথর?
যদি তুমি সেই নীরবতা ভালোবাসো গভীর সমুদ্রের নীরবতা বিশাল আকাশের নীল নীল নীরবতা,
যদি তুমি বৃষ্টি ভালোবাসো অঝোর ধারার শ্রাবণ
মেঘের বৃষ্টি,
স্বপ্নে আসতে পারো শেষরাতে আমাকে ভাবতে
বাধ্য করো তবে এই আমি শুধু তোমাকে মনপ্রাণ উজাড় করে ভালোবাসবো।
যদি একটি ক্ষণ তৈরি করতে পারো মায়াভরা
একটা ক্ষণ তুলনাহীন মায়ার, যদি ক্লান্ত দুপুরের
ভাবনা নিয়ে আসতে পারো যদি হতে পারো
চুপচাপ গেয়ে যাওয়া প্রিয় সুর তবে হেটে যেতে
পারি তোমার সাথে দূর হতে দূর বহুদূর।
যদি হতে পারো শেষ অপেক্ষার শেষ ইচ্ছাগুলো
অনুভবের অনাবিল অনুভূতির অগোছালো মুগ্ধ
কবিতার প্রতিটি লাইন, তবে শুধু তোমাকেই
ভালোবাসবো জীবনের শেষ নিঃশ্বাস অব্দি।