আষাঢ় এসেছে তার রুপ নিয়া,
সকাল থেকে নিভু নিভু করে যে দিয়া,
চারিদিকে ফুটেছে কদম আর কেয়া।
তপ্ত ধরনী হলো সতেজ,
প্রকৃতিতে তাই খুশির আমেজ।
ঘন কালো মেঘে ছেয়ে গেছে আকাশ,
মাঝে মাঝে বইছে দমকা বাতাস,
বজ্রপাত আর বিজলী চমক
বাহিরে না যাওয়ার দিচ্ছে ধমক।
খাল-বিল, মাঠে ঘাটে বর্ষার আগমনী,
সবখানে জমে বাড়ছে যে পানি।
নতুন পানি পেয়ে মাছেরা করছে জলকেলি,
মনানন্দে ব্যাঙেরা করছে কোলাকুলি।
পুটি আর খোলসে বুড়ি,
পরেছে লাল শাড়ি,
মনানন্দে ঘুরছে এ-বাড়ি ও-বাড়ি,
তাই দেখে নাচছে বাঙাচি,
খুশির যে ছড়াছড়ি।
রিমঝিম বৃষ্টি নুপুর ছন্দ,
প্রাণে জাগে শিহরণ, মনে বয়ে আনন্দ।
বৃষ্টি ঝরছে তো ঝরছে, হচ্ছে না বন্ধ,
বিত্তবানের চিত্তানন্দ,
কর্মজীবীর কপাল যে মন্দ,
বিত্তবান খেয়ে বুনা খিচুড়ি,
থাকবে শুয়ে দিয়ে কাঁথা মুড়ি,
আর গরিবের কষ্ট সারা বর্ষা জুড়ি।
গাঁয়ের বধু বৃষ্টিতে ভিজে ভিজে রোজ,
তৈরি করে নানা রকম ভোজ।
করে নানা আয়োজন,
খুশি রাখে যে বরের মন।
ধেনু ডাকে ঘন ঘন গোয়ালে,
বকরি বাঁধা আছে খোয়াড়ে,
ছেলেপুলে পিছলিয়ে পড়ে
বর্ষার কাদা জলে।
মুরগির বাচ্চা ভিজে একাকার —
লুকিয়ে আছে যে ঘরের কোনে।
খুশি অখুশির দোলাচলে বর্ষার আগমনে।
(সংক্ষেপিত)
তারিখ: ২২/৬/২০২৪
সময়ঃবিকেলঃ ৫:৩০ মিনিট