নিরাপদ আশ্রয়ে ছিলেন কেউ কেউ, বাসা থেকে বের হননি অনেকেই রক্ষা করা যায়নি রাষ্ট্রীয় সম্পদ, ক্ষুব্ধ হাইকমান্ড কোটা সংস্কার আন্দোলনে বিএনপি-জামায়াতের সন্ত্রাসী তান্ডবের সময় মাঠে ছিলেন না আওয়ামী লীগের এমপি-মন্ত্রীরা।
কোটা সংস্কার আন্দোলনকে কেন্দ্র করে যারা আহত হয়েছেন তাদের দেখতে ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে (ঢামেক) গেছেন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা। এ সময় আহতদের চিকিৎসা ও রোজগারের ব্যবস্থা করবে বলেও আশ্বাস দিয়েছেন
রাজধানীর বনানীর সেতু ভবনে হামলার ঘটনায় করা মামলায় গণঅধিকার পরিষদের সভাপতি ও ডাকসুর সাবেক ভিপি নুরুল হক নুরকে কারাগারে পাঠানোর আদেশ দিয়েছেন আদালত। শুক্রবার পাঁচ দিনের রিমান্ড শেষে তাকে আদালতে
কোটা সংস্কার আন্দোলনকে ঘিরে সাম্প্রতিক সহিংসতায় নির্মম হত্যাকাণ্ডের শিকার হয়েছেন যুবলীগ কর্মী জুয়েল মোল্লা। গত ১৯ জুলাই রাজধানীর উত্তরায় এ ঘটনা ঘটে। ওই দিন যুবলীগ কর্মী জুয়েলকে প্রথমে ধারালো অস্ত্র
দুষ্কৃতকারীদের খুঁজে বের করতে জনগণের সহায়তা চেয়ে প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা বলেছেন, যারা ধ্বংসযজ্ঞে জড়িতরা দেশের আনাচে-কানাচে লুকিয়ে আছে। এদের খুঁজে বের করতে জনগণকেই সহযোগিতা করতে হবে। শুক্রবার (২৬ জুলাই) রাজধানীর
দেশব্যাপী গণগ্রেফতার, মামলা ও মিথ্যাচার বন্ধের আহ্বান জানিয়েছেন বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামীর ভারপ্রাপ্ত সেক্রেটারি জেনারেল মাওলানা এটিএম মা’ছুম। তিনি বলেছেন, ‘সরকার সারাদেশে গণগ্রেফতার চালিয়ে ও গ্রেফতারদের মিথ্যা মামলা দিয়ে কারাগারে আটক
স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী আসাদুজ্জামান খান কামাল বৃহস্পতিবার (২৫ জুলাই) ঘোষণা দিয়েছেন শুক্রবার থেকে ঢাকায় কারফিউ আরো শিথিল করা হচ্ছে। বৃহস্পতিবার রাতে আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তাদের সাথে বৈঠক শেষে স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী এই ঘোষণা
ঢাকা দক্ষিণ সিটি করপোরেশনের (ডিএসসিসি) মেয়র ব্যারিস্টার শেখ ফজলে নূর তাপস বলেছেন, ‘আমরা লক্ষ্য করেছি, বিএনপি-জামায়াত চক্র ধ্বংসলীলা চালিয়ে, সন্ত্রাস-নৈরাজ্য সৃষ্টি করে, নির্বাচিত গণতান্ত্রিক সরকারের প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনাকে উৎখাত করার
হামলায় ক্ষতিগ্রস্ত গাজীপুর সিটি মেয়রের বাড়ি পরিদর্শনে আ ক ম মোজাম্মেল হক কোটা সংস্কার আন্দোলন চলাকালে হামলায় ক্ষতিগ্রস্ত গাজীপুর সিটি করপোরেশনের মেয়র জায়েদা খাতুনের ক্ষতিগ্রস্ত বাড়ি পরিদর্শন করেছেন মুক্তিযুদ্ধবিষয়কমন্ত্রী
যুবদল নেতা নুরে আলম সিদ্দিকি পিটন লন্ডন থেকে নির্দেশনা পান, পুলিশ মারলে ১০ হাজার এবং ছাত্রলীগ মারলে ৫ হাজার টাকা দেওয়া হবে। এ ঘোষণার পর মাঠে দায়িত্ব পালন করতে দেওয়া