অক্ষম গুণের মানুষগুলো হিংসা বিদ্বেষ করে, পরের ভালো দেখলে ওরা জ্বলে পুড়ে মরে। দেমাক ভারী স্বভাব গুণে এমন মানুষ গণে, অন্যের সফল দেখে কভু শান্তি পায় না মনে। কৌশল করে
আব্বু তুমি কেন লিখ কবিতা যে এত! এত লেখা লেখে কি বা টাকা আনবে কত? তোমার লেখা কারা পড়ে বুঝিনা যে আমি, উপহারে ঘর ভরেছো কোথায় পেলে তুমি? ছড়ায় ছড়ায়
পাঠ্য পুস্তক নিয়ম কানুন পাল্টায় বারে বার, ভাবছে তারা এসব দেখেই টনক নড়বে কার! দেশের শিক্ষায় এমন বদল মানতে রাজি নয়, কোন চক্রান্তে লিপ্ত মুসলিম শিক্ষার হচ্ছে ক্ষয়। মুসলিম ধর্মের
আধুনিক বাংলা সাহিত্যের অন্যতম কবি আল মাহমুদের জন্মদিবসে বিনম্র শ্রদ্ধা জ্ঞাপন — কবি আল মাহমুদের সংক্ষিপ্ত জীবনী —- আল মাহমুদ আধুনিক বাংলা সাহিত্যের অন্যতম প্রধান কবি। তিনি একেধারে একজন কবি,উপন্যাসিক
বেলুন নিবে রঙিন বেলুন একটি কিনে নাও, বেলুন বিচে খাবার কিনব আহার খেতে দাও। পেটটা ভরলে অনেক খুশি আর কিছু না চাই, রাস্তার মোড়ে বাজার ঘাটে বেলুন বিচি তাই। বেলুন
দিনের আলো ফুরিয়ে যাচ্ছিল। পশ্চিম আকাশে সূর্যের শেষ কিরণগুলি মিশে যাচ্ছিল গোধূলির রঙিন আলোর সাথে। ধীরে ধীরে রাতে অন্ধকার নেমে এলো, সরু রাস্তায় আমি একাই চললাম। মাঝে মাঝে খড়মড় শব্দে
এমনি এক রথের দিনের স্মৃতির বেদনাদায়ক কথা পড়লে মনে দু-চোখ ভেজে উথলে উঠে ব্যথা। ছোট্ট ছিল তখন আমার রাখী সোনা মেয়ে বায়না ছিল খেলনা কিনবে রথের মেলায় গিয়ে। বারবার সে
সময় ও নদীর স্রোত কারো জন্য অপেক্ষা করে না টিকটিক করে চলে ঘড়ির সেকেন্ড,মিনিট ঘন্টার কাটা চলে ব্যাটারির বলে। ঘড়ির কাটা থামেনা কারো কথায় অপেক্ষা করে বসে থাকে না ঘরে
প্রেমিক হতে চেয়েছিলাম- হতে পারিনি তবে শিখেছি ভালোবাসার নিখাদ বিনম্রতা। বলেছিলে ভালোবাসার পরীক্ষায় যদি উত্তীর্ণ হতে পারি যদি তোমার প্রশ্নের উত্তরে গড়তে পারি পবিত্র বিশ্বাস। প্রেমিক হয়ে কাটাতে পারবো অবশিষ্ট
সে আমায় বলেছিল – সে আমার কবিতা হবে! ছন্দে ছন্দে বুনে যাবে কথার জামদানি, শব্দেরা খেলা করবে শব্দের বুকে! সে আমায় বলেছিল – সে আমার কপালের টিপ হবে! গাঢ় চুম্বনের