বৃষ্টির কুমারী কষ্ট
মেঘ যেমন নীলাম্বরী পরে বোঝেনা
তাইতো মাকড়সার জবানবন্দি পূর্ব দিগন্তের
আলেয়া হয়ে ঘুরে বেড়ায়।
প্রতিবন্ধি ভাষায় কথা বলে
পরশ্রীকাতরতায় মেহগনি বন।
ঝাউয়ের আড়ালে যেমন শালিক
কামসূত্রের নিমগ্ন চর্চায়—রহিত।
তীব্র জ্বলুনির যন্ত্রণায় পুরোই—খন্ডিত ঠোঁট।
গামছায় বেঁধে রাখে কাঁচুলি খোলা স্তন
আধ-কপালি ব্যথার লহরী
তোলে মাইগ্রেন—।
মাতাল কন্ঠের বে-সুরো মাইগ্রেন তীব্র
আকার ধারণ করলে বে-খেয়ালি
ঘুমন্ত যৌবন খুবলে খায়
বে-শুমার পুরুষ—।
পুরুষ আদলে—নারীর পালাগান থেমে যায়…
থেকে থেকে থেমে যায় স্তব্ধ হয় দহনের মাইগ্রেন……!
শুশ্রূষা বলতে হারামিপনার
বেতাল কষ্টের—আলাপন।
তাল হলেই—রাগিণী তালে বাজেনা…….!
প্রেম জ্বলে…. জ্বালায়।
খঁরপোকা রোদে ঝিমোয়
আধবুড়ো রতন মুচি…..মদ গিলে
জলসাঘরের আঁকাবাঁকা চোখে কাজল
এঁকে যায় মীনাক্ষীর আগলা পাপড়ির
ভাঁজে ভাঁজে—!
দু-ঠোঁটের বজ্রপাতের অভিমান নিয়ে
ত্যাগড়া উপোষী শরীরে সঞ্চারিত হতে
আসে—মীনাক্ষীর আদলে!
সফেদ বিস্ময়েরা শিকারি সিস্টেমে
বদলে দেয় মীনাক্ষীর…..জীবন।
জোনাকময় জীবনে পাহারাদার নয়
বিনা উসুলে—সুদেমুলে নেয়া
বাসন্তী উৎসবে জব্বরই ইয়ে…….সাজায়
অশ্বারূঢ়ায় খেয়ালে!
হেয়ালি সময় বড্ড নির্মম!
বাঁশ বোঝেনা……বাঁশরীও বোঝেনা।
বাসন্তী রঙের নিছকই রঙের বাহার…..!
বিগলিত আওয়াজে দক্ষিণা হাওয়া
গুনগুন করে সফেদ সাদা মেঘের
পরশে স্পর্শে—হাওয়াই উচ্ছাস্…..!
আমি শরীর খণ্ডিত কখনো করিনি
সে আমার এক পশলা মেঘ—।
বৃষ্টির উপাখ্যানে ডাকবে…….
কোনো এক উদাস দুপুরে।
ফাঁসির রূপরেখা আঁকবে ছোপ
ছোপ বেনারসির আঁচলে গিঁট এঁকে!
বর্ণচোরা রোদের মিহিসুরে নেতিয়ে
পড়বে আমার বুকে—সুপ্ত শ্রাবণে।
ভাদরের তালপাকা গরমে
হাঁসফাঁস করে জলের মুর্ছনায়
জলের ধারা বইয়ে দেবে…….
আহত সিক্ত ঘুড়ির খোলসে—!
ছেঁয়ে যাবে জীবনের সুখ
এইতো চাওয়া জীবনের চাওয়া!