অজানা কিংবা কোনো অলীক সন্ধ্যায় নয়
সত্যি! আমি হারাতে দেখেছি অহংকারী চাঁদ
ভেসে যেতে দেখেছি শিরশির হাওয়ায়
উন্মাদ নক্ষত্ররাজির জাগরণে ,
ভোলাতে পারিনা কিছুতেই তাকে
তাই ঠোঁটে লেগে থাকে জ্যামিতিক অভিমান!
তবুও সে থাকে লাস্যময়ী
চাঁদনীর গভীর বেষ্টনীতে
আমার বোধির জগতটা মরে যায় ধীরে ধীরে…
অবুঝ উতলা মন কিছুতেই বুঝতে পারেনা
বৃষ্টি কেন আজও ভেজায় চোখের পাতা!
কেন প্রতিদিন সোহাগী মন চায় তাকে
মেঘের আড়ালের ফাঁকে কম্পন জাগা রাতে!
আমি তো মন পড়তে জানিনা
তবু কিভাবে যেন অভিমানগুলো অনুদিত হয়
বেহিসাবি মন খারাপের রাতে-
নিজেকে লুকিয়ে রাখি নগ্ন রাতের বিছানায়!
এখন মৃত্যুর হাত আমাকে ছুঁয়ে ঘুম ভাঙায়
শুয়ে থাকি নিঝুম আত্মার গর্ভগৃহে
নিস্তব্ধ ছায়াপথে…
তারপর অতি ধীরেধীরে মিশে যেতে থাকি
বল্মীক কৃষ্ণ গহ্বরের নিঝুম দ্বীপে-
যেখানে পড়ে থাকে কোন এক
নির্ঝঞ্ঝাট হরিণী আত্মা, দেহে পরাজয় মেখে।
১৩। ৭। ২০২৪
@কপিরাইট সংরক্ষিত