ধূলির ঢাকায় তারা আজ অস্পষ্ট, অব্যক্ত,
কালের স্রোতে হারিয়ে গেছে সেই স্বর্ণযুগের চিহ্ন,
মল্লিকাদের নাম আজ কেবলই স্মৃতির ছায়া।
তারা একদিন ছিল সবার মুখে মুখে,
গান, কবিতা, কাব্যে খুঁজে পাওয়া যেত তাদের ছন্দ,
তাদের বংশের কাহিনী ছড়িয়ে পড়েছিল দূর-দূরান্তে,
পথিকের হৃদয়ে ছিল তাদের অমর স্বপ্ন।
কালের পরিক্রমায় আজ তারা বিলুপ্ত,
ফুলের গন্ধের মতো হারিয়ে গেছে তাদের পরিচয়,
মনে রাখেনি কেউ তাদের সেই আদর মাখানো হাত,
তোমরা ভুলে গেছো মল্লিকাদের সোনালী স্মৃতি।
সেই যে আকাশে তারা জ্বালিয়েছিল প্রদীপ,
আলো জ্বেলে রেখেছিল বহু শতাব্দী ধরে,
আজ সেই আলোয় আঁধার মিশে গেছে,
কালের ছায়ায় ঢাকা পড়েছে তাদের নাম।
তোমরা আজ তাদের নামের কোনো চিহ্ন রাখোনি,
মনের দৃষ্টিতে আজ তারা বিলীন,
তাদের স্মৃতি কেবলই এক রূপকথা,
যার গল্প বলা হয় না আর, শোনা হয় না আর।
মল্লিকাদের স্মৃতি আজ নদীর স্রোতের মতো,
অনেক দূরে বহে গেছে, আর ফিরবে না,
তোমরা ভুলে গেছো মল্লিকাদের নাম,
তাদের কীর্তি আজ কালের গহ্বরে বিলীন।
তবু কোথাও না কোথাও আজো বেঁচে আছে,
গোপনে, নিভৃতে, সেই পুরোনো স্মৃতিরা,
তারা আজো স্বপ্ন হয়ে ঘুরে বেড়ায়,
তোমরা যদিও ভুলে গেছো মল্লিকাদের নাম।
হাওয়া বলে, “ফিরিয়ে আনো”, সময় বলে, “না”,
হৃদয় বলে, “তুমি আছো”, মন বলে, “সন্ধ্যা”।
এই পথের শেষে আছে কি কোনো স্বপ্নের ঠিকানা?
কত যে কথা ছিলো, রইলো পড়ে ভাঙা পথে,
তোমার স্মৃতি ভাসে আজও, বৃষ্টির এই রাতে।
নিশি প্রহরে, একাকী, শুনি তোমার গান,
এই হৃদয়ের প্রতিটি ধ্বনি তোমায় দিলাম।
সে দূরের পাখি, উড়ে গেছে কোথায়, কোন অজানায়,
এই আকাশের নিচে তুমি নেই, শুধু স্মৃতি ভেসে যায়।
যখন পথের মাঝে পথ হারিয়ে যাবে তুমি,
তখনো আমি থাকবো, এই অন্তরে অমলিন।।