শরতের স্নিগ্ধ সকাল, ঝিরিঝিরি বৃষ্টি ,
মেঘলা হাওয়ায়, শিউলি ছড়ানো পথে
এখন আর আসোনা তুমি —
এখন আর রক্ত জবা ছিড়ে খোঁপায় পড়িয়ে দাওনা
ঝরে যাওয়া গোলাপের পাপড়িগুলো আগের মতো হাতে তুলে দিয়ে বলো না এগুলো যত্নে রেখো-
বিকেল গড়িয়ে সন্ধ্যা নেমে এলে এখন আর
দাঁড়িয়ে থাকোনা আমার পথের ধারে।
এখন আর নীলখামের চিঠি নেই,
আগের মতো এলোমেলো চুলের গন্ধ
তোমাকে পাগল করেনা-
আগের মতো সেই খুনসুটি নেই ,হাসি নেই ,আনন্দ নেই
আমাকে ভেবে ভেবে গভীর মায়ায় আমাকে
অনুভূতিতে রাখো নাতো ?
আবার কবে দুজন হাতের মুঠোয় হাত রেখে ;
শাপলার জল, রূপালী নদীর ঢেউ দেখব?,
নৌকায় চলতে চলতে গান গাইব ?
বাতাসে শাড়ির আঁচল দুলবে এমন করে
স্বপ্নদেখার বাসনাটুকুও
কেমন যেন হারিয়ে গেছে তোমার।
সবকিছু এলোমেলো লাগে আজ ;
সময়টাও বড় অভিমানী স্বপ্নটাকে ভেঙে দিতে চায়,
সময় আজ বাস্তবতার মুখোমুখি দাঁড়িয়ে
ঝিমিয়ে গেছে —
আশা ,ভালোবাসাকে
ভেঙেচুরে দিতে চায় —
হয়ত এমনটাই হওয়া উচিত
তবুও জীবন চলবে জীবনের নিয়মে।।