পৈশাচিক অন্ধকার নাকি আজাব
নির্ঘুম রাত নাকি,
অলস মস্তিষ্কের স্নায়ুকোষের বায়বীয়
শকুনের উড়াউড়ি—!
মুখোশে মুখ বন্ধ ছিলো—!
মুখোশের লাগাম খুলে দিলেন আপনারাই।
হ্যাঁ শ্বাস নিচ্ছি তবে গ্যাসচেম্বার খালি।
ভয়ংকর নিঃশ্বাসের চাপায় তরল গরল হচ্ছি
নিয়ত–!
আধিপত্যের খেলায় কে জুয়াড়ি
ঘেঁটুপুত্র না আমজনতা—!
চারদিক বন্দনা করেও অসুরের সুরের মুর্ছনা!
তো কাহাতাক এ ইস্তেমাল—!
প্রভুত্বের গোলামি যখন লকলকিয়ে
উঠে তখন রামায়ণ মেঘদূত কিংবা
বিষাদ সিন্ধুর হলফনামা খারিজ করতে হয়।
যা সহজে জ্বলে ওঠে তা নেভানো কঠিন কম্ম।
আসলে চ্যালেঞ্জ ঘাড়ে করে নিতে গেলে
ভারবাহীর সামঞ্জস্যতার বিচার করতে হয়
গাণিতিক জ্যামিতিক সূত্রে—!
কালো ফিনফিনে রাতে
কিংবা_—-সফেদ জোছনায়
রেলস্টেশন অতিক্রম করে সঠিক
প্লাটফর্মের দিকে এগুতে থাকুন
দেখবেন—-আলোয় ভুবন ভরা!
সামগ্রিক ভাবে এটা আলেয়া—!
অন্ধকারে দুরন্ত রেল সবটাই লকলকে সাপ!
তার উপমা দেবার সাধ্য আমি অধমের নেই—!
তবে—ভবঘুরে ঘুমকাতুরে পাগলও জানে
বিরামহীন ভাবনার
ফানাফিল্লাহ বাকাবিল্লার সময়
অজু করে নাপাকি দূর করা যায়না।
যতক্ষণ না ফরজ গোসল করেছেন।
দুরন্ত ছায়ার কাছে আপনি এক মায়াময় মানুষ।
রাতের আঁধারে আপনি দানব।
এক ফ্যাসিবাদের বিদায়ে
লক্ষ ফ্যাসিবাদের আগ্রাসন
যেনো মহামারী আকার ধারণ না করে!
মহাপ্রলয়ের পথে এগিয়ে গেলে
ট্রেনের বগি যত-ই শক্তিশালী হোকনা কেনো
পলেস্তারা কিন্তু খসে খসে ঝরতে থাকে।
আর ব্যাঙ্গাত্বক ভাবে সেই পলেস্তারা হবেন
অবগাহনে আপনারাই আর
আপামর জনতা পিষে যাবে মাটিতে!
হাতে অস্ত্র ধরতে গেলে নাকি ট্রেনিং লাগে—!?
আমি মনেকরি শুধু মনের শক্তি দিয়ে
দেশ জয় করা যায়না
কিছু ট্রেনিংপ্রাপ্ত লোকবলেরও
দরকার
প্রতিটি শক্তি যেনো একেকটা মানববর্ম হয়ে উঠে সঠিক কম্পাসের দিক নির্দেশনায়!
প্রতিটি আয়োজন যেনো সিনেমাটিক অ্যাকশনে
কোরিওগ্রাফির অন্তর্ভুক্ত হোক!
যেখানে ডেমো দিয়ে জানান দেওয়ার প্রয়োজন নেই—।
মনে রাখুন
সামাজদারকে লিয়ে ইশারাই কাফি হ্যাঁয়!