হঠাৎ করে হারু মিয়া হয়ে গেলো কবি।
মনের মতো অবিরত লিখে চলে সবই।
আগের চরণ, পরের চরণ
ভিন্ন আকার ভিন্ন ধরণ!
ভাব মেলে না বাক্যের মাঝে।
হারু মানতে রাজি না যে!
বলে, এটাই বর্তমানে কাব্য আধুনিক।
ভাব না মেলাই কাব্যের বেলায় বৈচিত্র্যময় ঠিক!
কবিতাতে মাত্রা ছন্দ
মিললো কি না লাগে দ্বন্দ্ব!
বলতে গেলে হারু বলে,
ছন্দ কি আর এখন চলে?
ছন্দ-মাত্রার দ্বন্দ্ব এখন হয়েছে অতীত!
এলোমেলো জটিল শব্দই কাব্য গড়ার ভিত!
কবিতার ভাব, বিষয় গাঁথা
যায় না বোঝা আগামাথা!
হারু বলে হেসে হেসে,
“বিষয় থাকে সুপ্ত বেশে।
এক কবিতার বহুমুখী মর্মকথা থাকে।
বিভিন্ন জন ভিন্ন রকম ব্যাখ্যা করে তাকে।”
গঠন করে কবিতার গ্রুপ।
অন্যের লেখা করে এপ্রোভ!
জোটায় কিছু পার্টিসিপেট।
অর্জন করে সার্টিফিকেট!
কবিতার ‘ক’ বুঝে না কো, তবু সাজে সেরা!
কবিদের মান বাড়লো কি-না? তা রহস্যে ঘেরা॥