তোমার কাছে হয়তো সেদিনের গল্প
তোমার কাটেনা সময়ের মর্মরিত পিছুহটা —–দিনের।
ওইসব মোহের রন্ধন ঘুমঘোরে
বেহুদা সময়ে নিপাত গেলো।
জগৎময় অনিবার্যতায়
পালকের স্বপ্নভূমি বিরাণ করে।
ঘর জাগানিয়ায় কান পেতে শুনি
রুদ্রের চর আর অসুরের গান গল্প
তরঙ্গমুগ্ধতার রূপান্তরিত খেয়াল ঠুমরী
আর বেহুদা সুরের বৈভব—————!
একটা রুপান্তরিত শালিক
অর্চনার ঢঙ্গে সাজে কাকতাড়ুয়া
মেঘবেনারসি আঁচলে—————!
তীরভাঙা রোদ থুবড়ি মেরে
কাঁপিয়ে দেয় পৃথিবী——–।
আঁচলরঙা কাঁচুলিতে মাদুর পাতে বৃষ্টি।
সর্বৈবভাবে সুনামির চেরাগ হাতে
অগ্নিজাগে মন কপাটের———!
জন সমূদ্রে—স্বাভাবিক নেকড়ের গর্জন
পারম্বিত উল্লাসে!
সৌহার্দ্যের সৌন্দর্যের যন্ত্রণার ডাহুকী
ঋষি নীড়ে বিরহ টেনে বিলাপে মত্ত
কু-ঝিকঝিক সভ্যতার সিঁড়ি বেয়ে!
ঠিক তেমনই অন্তিম কায়দায় সমাপ্তি হয়
অনেক দেয়া নেয়ার—————-!
ছেউড়িয়ার শ্লোগানে শুনি
মর্ত্যের গুঞ্জন —————!
আলোকিত আঁধার ক্ষয়ে ক্ষয়ে
আসে প্রত্যুষ!
অশ্রুমালায় মুদ্রিত হয় বারবনিতার শেকড়
যজ্ঞের কোমর দোলাতে দোলাতে পান-রাঙা
কাম-রঙা দাঁতে জন্ম দেয় নিনাদের
সাথে জাগে দুঃখ জাগানিয়া আষাঢ়ে——গল্পের
পঙক্তিছেঁড়া ভাবনা আর
ডানে বামের বিরল বাহবার রকমারী ওজর!
খেলাঘরের বায়স্কোপ ফাঁদে ক্রাশের তরে
কেননা—কষ্টের তামাবিলে শুধু বিরহ।
সেই বিরহে ভেসে যায় কতো অতীত
ভবিষ্যৎ —আর বাস্তবতা!
আমি নিরংকুশ ভাবনার খিড়কি মেলে
তাকিয়ে দেখি মাঝরাতের ডিস্কো ড্যান্স!