কনে দেখা শাড়িতে যেদিন তোমায় দেখেছিলাম-
বিশ্বাস করো, আমি প্রথমে শাড়ির প্রেমেই পড়েছি;
তারপর দেখি এক বাঙালি নারীর লাজুক মুখ
কেউ একজন চিবুক উঁচিয়ে ধরলে- প্রথম দৃষ্টি।
আমার বুকের ধুকধুকানি টের পেয়েছিলে?
সেদিনই প্রথম জানলাম – পুরুষ কতটা ভীতু
নিজের কণ্ঠ বাকরুদ্ধ, শব্দরা দিগ্বিদিক ছুটছে
ভাবনার জগতে সন্মুখে বসে আছে এক পোট্রেট।
কবিতার সকল উপমা তোমার অঙ্গসৌষ্ঠব জড়িয়ে
আমি আমার প্রথম ছন্দময় কবিতাটি পাঠ করলাম;
শাড়ির কুঁচির পরতে পরতে পঙক্তিমালা, স্তবক
আর আঁচলে লেখা ছিলো শিরোনাম – ‘কাব্য নিলয়’।
সে-ই ঘোমটা পরা নারী হয়ে ওঠে গুণবতী রমনী
কন্যা জায়া জননী কিংবা সহোদরার বিমূর্ত রূপ,
শাড়ির সুতোয় গাঁথা বিধাতার শিল্প কারুকার্য-
যার পাড়ে বাঁধা ধরনীর ঐন্দ্রজালিক মায়া-মমতা।