এই যে আমার দোষ,
এদিক সেদিক হইলেই কিছু
ক্যান করে সব ফোঁস।
উনুন ঘরে- পইড়া থাকা
গর্ভে ধরার “মাহ্”-,
মাইয়্যা বইলা সেউ মা মোরে
কিঞ্চিৎ ছাড় দেয় নাহ্!
মা,মাইয়্যা সব পুরুষ মানসের-
সেবার দাসী হয়,
পান থেকে চুন খসলে পুরুষ
কর্রা কথা- কয়।
কোন বিধানে লিখা আছে
নারী- নরের দাস,
যার উদরে পুরুষ মানসের
শঙ্কা মুক্ত বাস।
সব পুরুষের পৌরুষ দাম্ভিক
নারীর রক্তের ফল,
সেই পুরুষরাই ঝরায় ক্যামনে
নারীর চোখের জল?
আদি থেইক্কা আজ অবধি
নারী চিত্তের সুখ,
নিগড়ে- নিয়ে, রতির ক্ষুধায়
পুরুষ ভরায় বুক।
রাগ বিরাগে পাষাণ পুরুষ
ক্যান ছিঁড়িস তার চুল,
“পুরুষত্বের”- আবির মেখে
নাহ্ শুধরিয়ে ভুল?
মাইয়্যা মানসের খুশবু মেখে
রাজ্যের দুষি কও,
সেই মাইয়্যটার দোষের দুষি
পুরুষ তুমি নও?
সমাজ ব্যাটা মান্দার কাঁটা
খায় মনে হয় ঘুষ,
পুরুষ মানসের দোষ খোঁজে না
খোঁজে নারীর দুষ।
ভাই বড়ো ধন রক্তের বাঁধন
স্বার্থের শর্তেই পর,
মাইয়্যা মানসের ঠিকানা ঠিক
পরপারের- ঘর।
মাইয়্যারা ক্যান অবহেলার
মনের মহা- জন,
মাইয়্যা, পোলা সবার “স্রষ্টা”-
তুমিই তো এক জন।