ম্যাচুরিটি মানে শুধু বয়স বাড়া নয়,
তা মানে ঝড়ের ভেতর দাঁড়িয়ে থাকা—
মনের গভীরে জ্বলে থাকা আগুনের ফুলকি,
যা কেউ দেখে না,
তবু তুমি জানো তার উত্তাপ কেমন।
এ আগুন জ্বলে রাগে, কষ্টে, অপমানে,
কখনো ব্যথার ঢেউয়ে ভিজে যায় চোখের কোণ,
তবু ঠোঁটের কোণে রাখো
একটি সুন্দর ও নান্দনিক হাসি,
যেন পৃথিবী বুঝতেই না পারে
তোমার বুকের ভেতরের যুদ্ধের কথা।
ম্যাচুরিটি মানে
যখন তুমি ভেঙে পড়তে পারো, তবু পড়ো না,
যখন চিৎকার করতে ইচ্ছে করে,
তখন নীরবতাকে বেছে নাও,
যখন প্রতিশোধের আগুন জ্বলে ওঠে,
তখন ক্ষমার আলো জ্বালিয়ে রাখো।
এটি সেই শক্তি,
যা কান্নাকে লুকিয়ে রাখে গানের সুরে,
যা অন্ধকারে পথ খুঁজে পায়
মুখের আলোতে।
এটি সেই শিল্প,
যা ক্ষতকে লুকিয়ে রাখে ফুলের গন্ধে,
যা চোখের গভীরতা ঢেকে রাখে
স্নিগ্ধ হাসির পর্দায়।
ম্যাচুরিটি হল
নিজের দহনকে নিজের ভেতরে আটকে রাখা,
কিন্তু বাইরের দুনিয়ায় ছড়িয়ে দেওয়া
শান্তির সুবাস।
এটি শেখায়—
ভালোবাসা শুধু পাওয়া নয়,
ভালোবাসা দেওয়া,
তাও প্রতিদান না চেয়েই।
যে হাসি ব্যথার উপর ফোটে,
যে হাসি লুকিয়ে রাখে হাজারো গল্প,
সেই হাসিই প্রমাণ—
তুমি শিখে গেছো বাঁচার সবচেয়ে কঠিন পাঠ,
যার নাম— ম্যাচুরিটি।