পুরুষ মানুষের জীবন যেন এক অনন্ত যাত্রা—
কোথাও থেমে নেই,
শুধু নদীর মতো বয়ে চলা
অজানা গন্তব্যের দিকে।
তার মুখে হাসি থাকে,
কিন্তু ভেতরে জমে থাকে হাজারো না বলা কান্না।
স্বপ্ন দেখে, অথচ সেই স্বপ্নগুলো
আস্তে আস্তে চাপা পড়ে যায়
পরিবারের হাসিমুখ গড়ার দায়ে।
তার নিজের আরাম নেই,
নেই নিজের জন্য আলাদা সময়।
একঘন্টা পর কি ঘটবে
সে জানে না,
তবুও লড়াই থামে না—
কখনো নিজের সঙ্গে,
কখনো সমাজের সঙ্গে,
আবার কখনো সেই কাগজের টুকরোগুলোর সঙ্গে
যার নাম টাকা।
সফল হলে সবাই তার হাততালি দেয়,
কিন্তু ব্যর্থ হলে ভিড় ছেড়ে যায়।
তবুও পুরুষ হাল ছাড়ে না,
কষ্টকে গোপন করে,
হাসিকে বেছে নেয়
নিজের ছদ্মবেশ হিসেবে।
এই লড়াইয়ের কথা কেউ শোনে না,
কেউ জানে না তার রাতের নিঃশব্দ দীর্ঘশ্বাস।
সে বাঁচে সবার জন্য,
নিজের জন্য নয়।
এ জীবন তার কাছে এক নিরব যুদ্ধ—
যেখানে সে সৈনিক,
কিন্তু অস্তিত্বের দাবি রাখার
কোনো অধিকারই নেই।
হয়তো একদিন সফল হবে,
কিন্তু তখন তার শক্তি ফুরিয়ে যাবে,
আশা শুকিয়ে যাবে,
আর সে শুধু দাঁড়িয়ে থাকবে—
অন্যদের সুখের দেয়াল গড়ে।
হ্যাঁ, এটাই পুরুষের জীবন—
নিঃশব্দ সহ্যের গল্প,
অন্যকে ভালো রাখার অনন্ত প্রচেষ্টা।