ধনুগাঙ্গের দুঃখ জাগানিয়া চোখ অথবা অতীত! জড়তার মৌসুমে বাতাসের ঘুঙুর, যারা আজো
নামধারী হৃদমৈথুনের -তোমরা চেন আমায়!
আমি তো দুরের কেউ নই
কতোবার বলেছি হে হিজল তমাল
উচিতপুরের নামহারা বেওয়ারিশ জল
হঠাৎ এসে তোমাদের নাক ডুবিয়ে দিক –
তুমি কান্না করোনা!
নাক বরাবর জল থেকেই শত শত কলমি আর শালুক জন্ম দিয়ে সহজিয়া নদী ঢেওবোনে বহুদূর!
একরোখা হইয়ো না! হতাশ হইয়ো না!
জলের সাথে সমঝোতা করে নাও
জড়িয়ে ধরো শ্যাওলার সংসার!
ভোরের দখলে যাক তোমার দীর্ঘশ্বাস!
আমি ঘুমোতে ঘুমোতে রাত্রির হৃদয় থেকে
তুলে নেব কালো কুচকুচে শালুক সন্তান!
যদি পারো থামাও আমার পরানের বুদবুদ!
কতোবার বলেছি আমি দুরের কেউ নই।
আমি কবি!