খান আখতার হোসেন: আজ ১৪ ডিসেম্বর ২০২৩ বৃহস্পতিবার ভোরে ঢাকা মিরপুরে শহীদ বুদ্ধিজীবী স্মৃতিসৌধ চত্বরে গাঙচিল সাহিত্য সংস্কৃতি পরিষদ আয়োজন করে সাহিত্য পাঠের আসর ও স্মৃতিসৌধে পুষ্প অর্পণ অনুষ্ঠান।
অনুষ্ঠানে গাঙচিল সাহিত্য সংস্কৃতি পরিষদের ঢাকা বিভাগীয় সভাপতি বাংলাদেশ সরকারের অবসরপ্রাপ্ত অতিরিক্ত সচিব সাহিত্যিক তন্ময় হারিসের সভাপতিত্বে প্রধান অতিথি ছিলেন গাঙচিল সাহিত্য সংস্কৃতি পরিষদের উপদেষ্টা বিশিষ্ট কবি ইমরোজ সোহেল। বিশেষ অতিথি ছিলেন বাংলাদেশ বিমানের কান্ট্রি ম্যানেজার কবি গোলাম কুদ্দুস চঞ্চল।
স্বাগত বক্তব্য রাখেন গাঙচিল সাহিত্য সংস্কৃতি পরিষদের প্রতিষ্ঠাতা খান আখতার হোসেন, বক্তব্য রাখেন ও কবিতা পাঠে অংশগ্রহণ করেন গাঙচিল প্রকাশনের ব্যবস্থাপনা পরিচালক ছড়া শিল্পী খান আহমেদ ইফতেখার, গাঙচিল কেন্দ্রীয় সমন্বয়ক শাকিল আহমেদ, গাঙচিল সাহিত্য সংস্কৃতিঁ পরিষদ সাভার উপজেলা শাখার সমন্বয়ক হাজী মাসুদ, বেলাল হোসেন, সাংবাদিক শিল্পী, সাংবাদিক লাবলু প্রমুখ।
প্রধান অতিথির বক্তব্যে ইমরোজ সোহেল বলেন – ১৯৭১ সালে রক্তক্ষয়ী যুদ্ধের মাধ্যমে আমরা এই অর্জন করেছি বাংলাদেশ। বিজয়ের প্রাক্কালে পাকিস্তান সেনাবাহিনী বাঙালির মেধাকে শেষ করতে মরিয়া হয়ে ওঠে। পরিকল্পিতভাবে বিভিন্ন প্রতিষ্ঠানে, বাড়িতে গিয়ে ধরে নিয়ে আসেন বাংলাদেশের গর্বিত সন্তানদের। স্বাধীনতার পর শত শত লাশ বাঙালি দেখতে পায় রায়েরবাজার বধ্যভূমিতে, মিরপুর বধ্যভূমিতে। বুদ্ধিজীবিদের নৃশংসভাবে হত্যা করে ফেলে দেওয়া হতো এসব স্থানে। নিশংস হত্যার প্রতিবাদে গর্জে উঠেছিল বীর মুক্তিযোদ্ধারা। রাজাকারদের সহযোগিতায় পাকিস্তানি ছেলের জঘন্য কাজ করতে পেরেছিলো। হারিয়ে যাওয়া বাংলার মেধাবী সন্তানদের স্মরণে চৌদ্দই ডিসেম্বর রাষ্ট্রীয়ভাবে শহীদ বুদ্ধিজীবী দিবস। এ দিবসে আমরা কৃতজ্ঞ ভরে স্মরণ করি শহীদ বুদ্ধিজীবিদের।
শহীদ বুদ্ধিজীবী স্মৃতিসৌধ চত্বরে কবিতা পাঠ অনুষ্ঠানে সবাই দেশের কবিতা পাঠ করেন। কবিতা পাঠ শেষে গাঙচিল ঢাকা বিভাগীয় সভাপতি তন্ময় হারিসের নেতৃত্বে শহীদ বুদ্ধিজীবী স্মৃতিসৌধে ফুল অর্পণ করা হয়। শহীদ বেদীতে ফুল অর্পণের পর শহীদদের আত্মার শান্তি কামনা করে এক মিনিট নীরবতা পালন করা হয়।