আগে বুঝি পরনিন্দা, না সমালোচনা।
একটা মন্দ, অন্যটা উপকারী
শেষেরটাই তাহলে আলোচনা করি।
কবি,লেখক,গায়ক সব পেশার লোকের
কাজের মান যাছাইয়ে সমালোচক দরকার।
যদি সমালোচনা না করি
ভালমন্দের ফারাকটা হবে কি করে?
জ্ঞানী হতে যেমন জ্ঞানের প্রয়োজন
সমালোচনা করতেও তাই।
সমালোচক বিচার বিশ্লেষন করেন বলে
একজন ভাল কবি,লেখক গায়কের পরিণত প্রকাশ।
পৃথিবীর সব কাজে সমালোচনা সমাদৃত,
খাঁটি সমালোচক পুরস্কৃতও হন।
পরনিন্দা, পরচর্চায় জীবন না সাজিয়ে
প্রকৃত সমালোচনাকারীতেই নিয়োজিত থাকি।
মানুষের কোন ভাল কাজে উৎসাহ প্রদান করি,
মন্দ কাজ না করার পরামর্শ দিই।
যেমন রাষ্ট্র পরিচালনায় বিরোধী দল থাকে,
সরকারের ভাল মন্দ দেখিয়ে দেওয়ার জন্য,
আমরাও তাই সঠিক সমালোচক হই।
দেশকে উন্নয়নশীল থেকে উন্নত করতে
ধনী গরীব,শিক্ষিত অশিক্ষিত সবাই
এগিয়ে আসি,
দেশকে সুখী,সমৃদ্ধিতে ভরিয়ে তুলি।
সমালোচনা আশীর্বাদ স্বরুপ,অভিশাপ নয়।
পরনিন্দা,পরচর্চা কে “না” বলে
আগোয়ান হই ভবিষ্যতের সোপানে।