ননদরা এটা সেটা এনে খাওয়ায়। শ্বশুরও হাটে গেলে কিছু না কিছু নিয়ে আসে রত্নার জন্য। প্রথম দাদা হতে চলেছে। এতে রত্নার শ্বশুরও মহা খুশি। অথচ দুই মাস আগেও রত্নাকে কেউ এখানে দেখতে পারতো না। বিয়ের চার বছর হয়ে গেছে অথচ কোন সন্তান জন্ম দিতে পারলো না। শ্বাশুড়ি উঠতে বসতে কথা শুনাতো। কারো কোলে ছোট শিশু দেখলেই হাপিত্যেশ করত আর বলতো- আমার কি এমন ভাগ্য আছে যে নাতী নাতনীর মুখ দেখবো?
রত্না শুনেও না শোনার ভান করত ঠিকই কিন্তু নিজে নিজে কতো কবিরাজ, ফকির দেখিয়েছে তার কোন ইয়ত্তা নাই।
মাঝে মধ্যে বাড়ির পাশের ননদটা বলেই ফেলতো- ভাইয়া তুই আরেকটা বিয়ে কর, এভাবে আর কতদিন?
রত্নার স্বামী শামিম সাহেব কিছুই বলতেন না তবে মনে মনে যে রত্নার উপর বিরক্ত তা স্পষ্টই বুঝা যেত।