কারণ এখন দুশ্চিন্তার।
চাঁদের মতো গায়ে ছোপ ছোপ দাগ যার,
মোটাসোটা শরীর তার,
মাথা যে চ্যাপ্টা ত্রিভুজাকার,
নাম তার রাসেল ভাইপার।
কেন্দ্র এখন আলোচনার,
নিউজ ফিডেও একাকার।
ফেবু, রিল জুড়ে দখল তার।
জলে স্থলে তার বিচরণ,
চারিদিকে গবেষণা
নিয়ে তার আচরণ।
সেই কেবল হিরো,
বাকি সব জিরো।
তিন হাতের সরীসৃপ,
ভয়ে কাপে শ্রেষ্ঠ জীব।
ভারত,নেপাল, শ্রীলংকা আর পাকিস্তান,
ছিলো যে তার বাসস্থান।
দিয়ে পদ্মা পাড়ি,রাজশাহী ছাড়ি,
ভোলা, চাঁদপুর, নোয়াখালী,
এখন যে তার ছড়াছড়ি।
ঘাস আর ঝোপঝাড়ে,
সে যে থাকে পড়ে।
কি তার খাবার?
প্রশ্ন জাগে মনে আবার,
ইঁদুর, ব্যাঙ আর টিকটিকি করে যে আহার।
অযথা করে না কারো ক্ষতি,
আঘাত না পায় যদি।
যদি করো আঘাত,
বসিয়ে দিবে তার দুই দাঁত।
ক্ষত স্থান যাবে ফুলে,
বিষ যদি ঢালে।
কিডনি হবে অচল,
দ্রুত হাসপাতালে নিয়ে চল।
দিলে আ্যান্টিভেনম,
ফিরে পাবে নতুন জনম।
কি আজব এই রাসেল ভাইপার,
সারাবছর প্রজজন তার।
বাড়ির পাশের ঝোপঝাড়,
করেন দ্রুত পরিস্কার।
ভাইপারের বংশ,
করে দিতে ধ্বংস,
বেশি বেশি করেন গুইসাপ আর পেঁচার চাষ,
ভাইপার হবে সমূলে বিনাশ।
আরো দিতে পারেন কারেন্ট জালের ভেড়া,
রাসেল ভাইপার আটকা পড়ে যাবে মারা,
তবেই থাকবে দুশ্চিন্তা ছাড়া।