ক’দিন ধরেই চলছিলো রৌদ্র ছায়ার মিছিল,
জৈষ্ঠ্যের কাঠফাটা রোদে কাকেদের হাহাকার শুনেছি;
অভিমানে মুখ লুকিয়েছে চাতক পাখির দল।
এমনই সময় আষাঢ়ের আগমনী বার্তা নিয়ে
চারিদিকে তুললো সোরগোল ।
প্রকৃতির অমোঘ নিয়মে-
ঝরঝর নূপুরের ছন্দতালে
দূর গগনের মেঘরাজ্য থেকে নেমে এসে
ঝরে পড়লো ধরণীতে।
বিশ্বভূবন লুটাতে চেয়ে
অঝোর ধারায় নেমে এলো আষাঢ় ঢল;
মেঘমালার এই ছন্দিত স্পর্শ বড়ই মধুর!
ধুয়ে মুছে দেয় জরা, আবর্জনা, খরা-
আর তৃষিত তপ্ত বালুকাময় ধরণী;
দখিনা পবনে সুরভী দোলানো নিটোল প্রেমে
ছুঁয়ে দেয় প্রেমিকার ললাট, চিবুক ও তপ্ত হৃদয়!
সুরহীন প্রাণকে সুরের মূর্ছনায় ভরিয়ে দেয় এ বর্ষা।
ভিজিয়ে দেয় শাড়ীর আঁচল আর আর নগ্ন দুটো পা।