ছন্দ কি আর কম জানি, লিখি ছন্দের তালে, তাই বলে ভেবো না, চুমো দেব তোমার গালে। আজ কেবল দুঃখ জাগে, ঝরছে অশ্রু ঢালে। ভাবিনি কখনো যুক্ত হবে, এমন দুঃখ পালে।
হিন্দু মা, আমি মুসলিম ছেলে ও দূর্গা পূজা সিলেটের সেই সন্ধ্যাটি ছিল অন্যরকম। আকাশে মেঘের আড়ালে সূর্য লুকোচুরি খেলছিল, আর আমার হৃদয়ে উঠছিল আবেগের ঢেউ। আমার মা মেজিস্ট্রেটের সামনে জবানবন্দি
বিরতিতে প্রেম আরো বলিষ্ঠ ছান্দসিক স্বর’ অস্তরাগের অন্তমিল কারুময় নান্দনিক ঝিল। সারসির ঠোঁটের মত সুচারু, ধারালো– গভীর কূপে জীবন্ত দগ্ধ জীবাশ্ময়- সময়ের পালাবদলে স্পষ্ট বা অস্পষ্ট মোমের মূর্তি! প্রেম পর্ব
কমলাপুরের ষ্টেশনে- বেশ কিছুক্ষণ ধরে বসে দেখি রেলগাড়ি যায় আস্তে কভু জোরে। এমন সময় একজনা যে আসলো নিকট কাছে অবাক হয়ে চেয়ে বছর ফিরি বিশেক পাছে। তারপরেতে জিজ্ঞাসিলাম, বর্ষা কোথা
সালাম জানাই, বন্ধু সাজিদ—কেমন আছিস ভাই? বহু দিন ধরে তোর যে কোনোই তালাশ, খবর নাই! রঙিন আগের ডাকচিঠি তোর আসে না এখন আর, একটির পর লিখি যে একটি—দিস না জবাব
ঝমঝম ঝমা, নাহি যেন কমা—আষাঢ় প্রথম ভোরে, দারুণ বৃষ্টি, আজকে সৃষ্টি তুলব যতন ক’রে। রাকিব হাসান, চাটগাঁর পান—এতকাল পর আজি, তূর্ণা নিশীথা, পাশে বসা রিতা—ফকিরের বেশ সাজি। ফকিরের ধারা, আছে
গ্রীষ্ম প্রখর, মাঝদুপুরের তপ্ত বালুর পরে চলছে ক্ এক বাহাদুর; নেত্রে অগ্নি ঝরে। হস্তে খোলা তরবারি এক, মরুভূমি চারধার, কাঁপিয়া যেনবা দেখে সেই রূপ; যায় দূর সরে তাঁর। কোথায় যাচ্ছে
সত্যি বলছি ভুল করতে হয় এতে লুকিয়ে থাকে আলোর দিশারী, বারবার চেষ্টায় সব পরিপক্ক হয় হতাশায় করো না কভু আহাজারি। আগুনে যতো পুড়বে লোহা ততো দেওয়া যায় নতুন রুপ, জীবনে
আমি নক্ষত্র নই, চাঁদের আলোও নই, আমি শুধু সাধারণ প্রাণ, তবু হয়েছি তোমারই অতিথি জান। অবহেলার ভিড়ের ভেতরেও, ভালোবাসা মুছে যায়নি কভু, ক্ষণিকের মতো এলেও আমি, স্মৃতির পাতায় থাকবো সবু।
যে যাহাই বলুক সব রাজনৈতিক দল ও নেতা-কর্মী এক গোয়ালের গরু। পার্থক্য শুধু কেউ খায় সরাসরি কেউ খায় ঘুরিয়ে জনতা কিন্তু বুঝে সবই তাই ভয় যে সবার মনে মনে। আমরা