মেঘলা আকাশ আঁধার ঢাকা ডাকে গর্জন করে, ঈশাণ কোণে মেঘ জমেছে নামবে বৃষ্টি ঝরে। টাপুর টুপুর অঝোর ধারায় আসবে বুঝি…..বৃষ্টি, বাদল দিনে ঝাপসা চোখে কাড়লো আজি দৃষ্টি। গাছ-গাছালি ফুল- ফসলে
মাঝি মাল্লা বাইছে তরী ময়নামতির তীরে, হাল ধরেছে পাল উড়িয়ে বাইছে ধীরে ধীরে। নদীর পারে বসতবাড়ি বাতাস যেন বহে, সুতোর জালে বুনন করে কষ্টসাধ্য রহে। মৎস্য তাহার জীবন যাত্রা রুজি
বাবরিকাটা সেই ছেলেটি বিদ্রোহী এক কবি, মহাকালের কালজয়ী এক সত্য ন্যায়ের ছবি। লেখার মাঝে নির্ভীক তিনি কাঁপত বিট্রিশ বেদী, অন্যায় রোধে চলতো কলম ছিলেন তিনি জেদি। তোমার আলোক নহরে যে
মন আকাশে ধূসর মেঘের বেঁধেছে খন্ড খন্ড জমাট। নীলাদ্রি সম ব্যথার কোষাগার হৃদয়ে রেখেছি জমা, কিছু তার রেখেছি জীবনের সোনালি সময়ের ডায়েরির পাতার মাঝে সুরক্ষিত। অবশিষ্টাংশ ফ্রেম বন্দি ধুলির আস্তরণে
পাখি আছে রাশি রাশি কত রঙের জাতি! সকাল হলে খাদ্য খুঁজে ঘরে ফিরে রাতি। পাখির রাজ্যে কাকুলিতে কলরবে মুখোর, সকাল হলেই কিচির মিচির পাখির বাসার কুটোর। ক্যাপে পেটু লাইটেড প্রথম
উঠুনে কিংবা ছাদে বসার ঘরটি জুড়ে বৃষ্টির অপূর্ব মুখরিত শব্দ টিনের উপরে, বর্ষার অবিরাম বর্ষণ আনচান করে মোরে চেয়ে চেয়ে দেখি সেই দৃশ্য বিমুগ্ধ নয়নে । আকাশ যখন বিদুৎ
দেশ স্বাধীনে পার হয়েছে বছর তেপ্পান্ন তার আগে ছিলাম আমরা বাঙালি স্বাধীনতা লাভের পর পেলাম বাংলাদেশ আমরা হলাম তাই বাঙালি হতে বাংলাদেশি। তবু যারা এখনো বলে বেড়ায় তারা বাঙালি তার
অজানা কিংবা কোনো অলীক সন্ধ্যায় নয় সত্যি! আমি হারাতে দেখেছি অহংকারী চাঁদ ভেসে যেতে দেখেছি শিরশির হাওয়ায় উন্মাদ নক্ষত্ররাজির জাগরণে , ভোলাতে পারিনা কিছুতেই তাকে তাই ঠোঁটে লেগে থাকে জ্যামিতিক
ভালোবাসার রংধনুতে লাল গোলাপের মালা, স্রোতে আসে উথাল পাথাল হাজার রঙের তালা। গভীর রাতের আলো জ্বেলে প্রেমের আলাপনে, ভালোবাসার রঙের সারি তৈরি করে মনে। প্রসাধনী সুবাস ছড়ায় চন্দন মাখা আতর,
কোথায় গেল সেই সময়ের জোসনা চাঁদের আলো, বাড়ির উঠোন মধ্য বসে দারুন লাগতো ভালো। শীতল পাটি বিছানাতে গল্পগুজব করে, আড্ডা হতো গভীর রাতে মামা চাচার ঘরে। মিষ্টি রাতের শান্ত হাওয়া