ঘরের ভেতর একটা নিঃশব্দ কান্না জমে আছে বহুদিন। চারপাশে দেয়াল, দরজা-জানালা, ছাদের নিচে মাথা—সব আছে, শুধু নেই মুক্তি। মানুষ ভাবে, ঘর মানেই শান্তি। কিন্তু ক’জনই বা জানে, এই ঘরই কখনও
তুমি না থাকলে আমার জীবনের দাম কী? তোমার নিঃশ্বাসেই বাঁধা আমার প্রতিটি ক্ষণ, তুমি আছো বলেই তো আজও আমি বেঁচে আছি, তুমি আছো বলেই তো আব্দুল্লাহ হাসে নির্ভরণ। তুমি না
আমি আছি তো! পাচ্ছো কেন ভয়? করবে জয়, একদিন, তাঁর কাছে আমৃত্যু ঋণ। বাবা মানে মনোবল, বাবার আশীষ, ধরণীর বুকে সেরা বল। বাবা মানে,শ্রেষ্ঠ ব্যক্তি, বাবা মানে শক্তি, বাবা মানে
কবিগুরু রবি ঠাকুর বাঙালি এক কবি, হদয় মাঝে এঁকেছিলেন দুই বাংলারই ছবি। দুই বাংলাকে ভালোবেসে লিখেছেন মধুর গান, যতোই শুনি কাছে টানে মন করে আনচান। লিখেছেন কতো গল্প কবিতা শিশু
কবিগুরু রবি ঠাকুর বাঙালি এক কবি, হদয় মাঝে এঁকেছিলেন দুই বাংলারই ছবি। দুই বাংলাকে ভালোবেসে লিখেছেন মধুর গান, যতোই শুনি কাছে টানে মন করে আনচান। লিখেছেন কতো গল্প কবিতা শিশু
এক সময় খুব বদমাইশ হয়ে দেখেছি_ লোকজন ভয়ে সামনে সালাম দেয়, আবার পিছন থেকে গালিও দেয়। ধোয়া তুলসী পাতা হয়ে দেখেছি_ শীলপাটায় পিষে শুধুই রস টুকু নেয়, প্রয়োজন শেষে ছুড়ে
আমার জীবদ্দশায় কবিতা কে দেখার পর স্বীকারোক্তি দিলাম। আমি তোমাকে অসম্ভব ভালোবাসি, আই লাভ ইউ, কবিতা! অবশেষে কবিতার কাছ থেকে উত্তর এলো, ইউ আর ননসেন্স! তুমি একটা পাগল! কিছুদিন পর
নয়া বধূ এসেছে আমার ঘরে সংসার আলোয় ঝলমল করে। সকাল-সাঁঝে কাজেকর্মে বধূ আমার আনন্দে হাসে। আমার ঘরের বধূ সে রান্না রেঁধেছ কদু। হাতে আছে তার যাদু খাবার হয় খুব সুস্বাদু।
লাল টিপে সাজে প্রিয়দর্শিনী যেন রাঙা মুখে স্নিগ্ধ আভা। টিপের ছোঁয়ায় রূপ যেন মায়াবতী এক পরি। চুলের খোঁপায় গোলাপ ফুল কপালে লাল টিপ। যেন প্রিয়দর্শিনী হাসে ভুলে যাই সব দুখ।
পথের পদ্মকলি ওরা! ফুটপাতে থাকে রোজ। সমাজ থেকে বঞ্চিত, ওদের টাকা নেই সঞ্চিত। ওরা ঈদ করবে কেমনে? দু’হাত তুলে কাঁদে। ঈদ মানে হাসি গান, সবার মাঝে খুশির বান। মানবতাপ্রেমী আছো