মৃত্যুর ভয় পালিয়ে গেছে শুনছে না যে বাধা, চিন্তা বিবেক বুদ্ধি ছেড়ে চক্র গোলক ধাঁধ। দেশের ক্ষতি সাধন করে থাকছে বীরের বেশে, গুনতে হবে আমজনতার লক্ষ টাকা শেষে। কিসের নেশায়
ইচ্ছে করে হারিয়ে যাই সুদূর সীমান্ত পেরিয়ে অচেনা কোন গাঁয়, যেথায় নেই শহরের মত আলোর ঝলক কোলাহল। চেনা মানুষের ভীড়ে অচেনা মুখোশ! অপরিচিত নতুন মুখ, সঙ্গীহীন জীবন থাকবে না সমাজের
রক্ত ফোটা শুকিয়ে গেছে গন্ধ গেছে সরে, লাশটি এখন মিলিয়ে গেল মাটির গহ তরে। স্বজন তাদের খুঁজে বেড়ায় কষ্টের নদী চলে, দেশের জন্য জীবন দিল সত্যের কথা বলে। খুঁজে খুঁজে
হাজারো ছাত্রের লাল রক্তে জাতি হলো আজ কলঙ্কিত এদেশের বড় কর্তা আর প্রশাসন হলো গণতিকৃত। বাংলার মাটিতে তৈরি হলো আজ কলঙ্কিত ইতিহাস হে বাংলার আমজনতা সকলেই করোনা আর হাঁসফাঁস। সকলে
নিরবতা নীলার বৈশিষ্ট্য না চঞ্চল নৈপুণ্যে সাজিয়ে রাখা প্রানবন্ত মুখ, চঞ্চল দুরন্ত, মনে তার ভালোবাসা অফুরন্ত কিন্তু সময়ের তীব্রতায়, চরম বাস্তবতায় সে আজ পরাস্ত, তাই অভিমানে ঠোঁটের ফুলিয়ে নীলা নিশ্চুপ
মহান নেতা জাতির জনক নেতাগণের সেরা, জাতির স্বপ্ন পূরণ করতে ছিলো আঁধার চেরা। একটি স্বাধীন দেশের জন্য সজাগ ছিলে তুমি, পাক বাহিনীর কবল থেকে রক্ষা করলে ভূমি। বীর বাঙালি তোমার
স্বাধীন দেশে আত্মভয় ডাকাত আসছে রাতে, বন্দুক ছুরি বোমা নিয়ে হাজার জনের সাথে। মধ্যরাতে বাড়ির সবে আর্তনাতে ওরা, পেতে চাই সেই সোনার বাংলা রক্ত দিয়ে গড়া। তারা কি ভাই বাংলার
বাংলাদেশে উঠলো রবি কুয়াশা ভেদ করে, আঁধার চিরে রবির রশ্মি পড়ছে ঝরে ঝরে। গগন জুড়ে কুজ্ঝটিকা জমাট বাঁধা ঘোর, নবীন গণের তাজা রক্তে হলো নতুন ভোর। কতো মায়ের মানিকগণে যুগের
দ্রুত পাখি পালিয়ে গেল জীবন নিলো কেড়ে, পাহারাতে তীক্ষ্ণ ঈগল নিজের আবাস ছেড়ে। চিল শকুনের দলটি এবার পালায় বেড়ায় কেন? উট পাখিরই লম্বা ডানায় উড়ে না সে যেন! ময়না টিয়া
দেশ যে আবার স্বাধীন হলো খুবই ভালো কথা! জ্বালাও পোড়াও ধ্বংস করে দিচ্ছে কারা ব্যথা? অত্যাচারের নিপাত গেল সূর্যকিরণ এলো, উর্ধ্বগতির লাগাম যেন ভাঙতে সবাই চলো। হাজার প্রাণের বিনিময়ে অর্জন