তোমার শরীর ঠিকরে নামুক আঁধার!
জলে ডুবে যাক, রোদে পুড়ুক কিংবা
হারিয়ে যাক মেঘের শহরে
জ্যোৎস্নার শরীর-
আমার কিচ্ছু আসে যায় না–
প্রবাহমান বাতাসের গভীরে ঘন হয়ে আসুক নিঃশ্বাস
অন্ধ হউক রোদের চোখ
বৃষ্টি নামুক, ভাসিয়ে নিয়ে যাক নুহের প্লাবন
পাতারা কাঁপুক,কাঁপতে থাকুক
হৃদয় শূন্যতায় খাঁ-খাঁ করুক সবুজাভ বিশ্বাস
প্রতিদিনের সন্ধ্যারা মিলিত হউক সকালে
গোলাপের বোঁটায় ফুটুক নির্মোহ
বুদবুদ করুক মৌন হুতাশ
আমার কি?
সত্যের পর্দা ছিঁড়ে ভেতরে ঢুকছে
কাল কেউটে, ঢুকুক!
জটলা বাঁধুক মন্দ- ভালো
ভয়ে ভয়ে বাঁচুক স্বপ্নরা চিরকাল
শ্যাওলা ঢাকা বর্ণমালার বুকে–
আমার তাতে কিচ্ছু আসে যায় না!
উলঙ্গ ছেলেটি সেই তো দাঁড়িয়ে আছে
— অন্ধকারে!
সরু আলপথে মিশিয়েছে মাটির বুক
দু একটি জোনাকিই কেবল পাহারায় তার–
সইছেই তো, সয়েই তো যাচ্ছে—