সবেমাত্র সাত বছর বয়স, দ্বিতীয় শ্রেণীতে পড়ে,
মিষ্টি হাসি মুখে নিয়ে যেতো সে যে ইস্কুলে।
সকাল দশটায় মা যখন খুঁজছে ব্যাকুল মনে,
পিশাচ তখন মেতে উঠেছে পাশবিক উল্লাসে।
পাশের ফ্ল্যাটের দরজায় ছিল ছোট্ট জুতো জোড়া,
মা যখন ধাক্কা দিল, ভাঙলো পশুর ধরা।
গ্রিল কেটে পালালো ধর্ষক, পেছনে রেখে লাশ,
কেঁদে উঠলো আকাশ-বাতাস, স্তব্ধ হলো চারিপাশ।
যৌন নির্যাতনের পর হত্যা, দেহ করলো খণ্ড-বিখণ্ড,
এই নরকে পিশাচের সাথে স্ত্রীও ছিল সঙ্গী দুর্দান্ত।
বিচ্ছিন্ন মাথা শৌচাগারে, দেহ খাটের নিচে লুকায়,
এমন নরপিশাচদের কি কোনো ক্ষমা পাওয়া যায়?
জনসম্মুখে ফাঁসি হোক সেই ঘাতক আর তার স্ত্রীর,
দৃষ্টান্তমূলক সাজা দিয়ে শান্ত হোক এ দেশের নীড়।
এমন শাস্তি দেখে যেন সব অপরাধী সাবধান হয়,
নৃশংসতার কুৎসিত রূপ জেনো পঙ্গু করে ভয়।
আর কোনো রামিসা যেন না হারায় মায়ের বুক,
কঠোর বিচারে যেন হাসে আজ রামিসার মায়ের মুখ।