বোরহানউদ্দিন (ভোলা) প্রতিনিধি:
ভোলার বোরহানউদ্দিনে চতুর্থ শ্রেণির এক স্কুলছাত্রীকে ধর্ষণের পর ঘটনা চেপে যেতে শিশুটির হাতে মাত্র ২০ টাকা ধরিয়ে দেওয়ার অভিযোগে একটি সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষককে গ্রেপ্তার করেছে পুলিশ। এ ঘটনায় ধামাচাপা দেওয়া ও ভুক্তভোগী পরিবারের ওপর হামলার অভিযোগে এক সাবেক ইউপি সদস্যকেও গ্রেপ্তার করা হয়েছে।
স্থানীয় ও মামলা সূত্রে জানা যায়, উপজেলার এক সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ে শিশুটি ধর্ষণের শিকার হয়। অভিযোগ উঠে, পাশবিক এই ঘটনার পর বিষয়টি চেপে যাওয়ার উদ্দেশ্যে ভুক্তভোগী কোমলমতি ছাত্রীর হাতে মাত্র ২০ টাকা গুঁজে দেন ওই প্রধান শিক্ষক। একইসঙ্গে ঘটনাটি কাউকেই না জানাতে শিশুটিকে বিভিন্ন ভয়ভীতি প্রদর্শন করে বাড়ি পাঠিয়ে দেওয়া হয়।
বাড়িতে ফিরে শিশুটি কান্নাকাটি করে পরিবারের সদস্যদের কাছে পুরো ঘটনাটি খুলে বলে। স্বজনেরা বিষয়টি জানার পর থানায় গিয়ে মামলা দায়ের করেন।
এদিকে ঘটনাটি প্রকাশ পাওয়ার পর স্থানীয় এক সাবেক ইউনিয়ন পরিষদ (ইউপি) সদস্য অপরাধটি ধামাচাপা দেওয়ার চেষ্টা চালান এবং ভুক্তভোগীর পরিবারের ওপর হামলা চালান বলে অভিযোগ ওঠে। পরবর্তীতে ভুক্তভোগী পরিবারের লিখিত অভিযোগের ভিত্তিতে পুলিশ অভিযান চালিয়ে অভিযুক্ত প্রধান শিক্ষক ও হামলাকারী সাবেক ইউপি সদস্যকে গ্রেপ্তার করে।
বোরহানউদ্দিন থানা পুলিশ জানায়, ভুক্তভোগী পরিবারের আবেদনের পরিপ্রেক্ষিতে মামলা নথিভুক্ত করা হয়েছে এবং প্রধান শিক্ষকসহ দুই আসামিকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে। ভুক্তভোগী শিশুটির ডাক্তারি পরীক্ষা ও আইনি প্রক্রিয়া গ্রহণ চলমান রয়েছে।