খাঁটি প্রেমের সুবাস মাখা, রবের অশেষ রহম ধরা, এই আমি এক পথের পথিক, আজ বসেছি কুবার আঙিনা ছোঁয়া। তারই শীতল মিনারে আলো, রাতের আঁধার যায় যে ফুরায়, আহ! কি অনাবিল
জীবন রাঙাতে বাস্তবতার ভাগাড়ে, রোজ করেছি কত হলুদের চাষ। অথচ সময়ের সিঁথি বেয়ে বারংবার বিস্মৃতির ঘোরে ঢলে পড়েছে অতীত। অপাংক্তেয় জীবনের গিরিখাতে সূর্যটা আলসেমি করেছে আজীবন, হাভাতে অনুভবের তোড়জোড়
তোমরা যখন বর্ষামঙ্গল উদযাপন কর, নরেনের পেটে তখন ক্ষুধার আগুন জ্বলে। এ আগুন ছড়িয়ে পড়ে গ্রাম থেকে শহরে। আজ নিয়ে চারদিন— বৃষ্টিবিলাসের স্রোতে ভেসে যায় শরতের কাশফুল, নরেনের ক্ষুধার জ্বালা
নিজের আলোয় পৃথিবী দেখবো বলেই, এতটা কণ্টকাকীর্ণ অন্ধকার পথ হেঁটেছি। যে সম্পর্ক আমার নীরবতার ভাষা বোঝে না, তার কাছে নিজেকে ব্যাখ্যা করার প্রয়োজন নেই। আমি জানি—- হারানো মানেই পরাজয় নয়,
ভালোবাসি বলে তোমার বন্ধ দরজার সামনে অনন্তকাল কড়া নাড়বো না। অপেক্ষা করি বলে নিজের অস্তিত্বকে বিসর্জন দিয়ে তোমার প্রত্যাবর্তনের প্রতীক্ষার প্রহর গুনবো না। আমি জানি, ভালোবাসা মানুষকে বিভ্রান্ত করে, কিন্তু
ইয়া নবী আল্লাহ, আপনি বিহনে সবই বৃথা, আপনার প্রেম ছাড়া এ হৃদয় যেন শূন্যত্যা গাঁথা ইয়া রাসুল আল্লাহ, আপনি বিহনে পূর্ণিমার আলো, চাঁদের হাসিও ম্লান, নেই তার কোনো ভালো। আপনি
ফেসবুকটা খুললেই যেন রান্নার এক মেলা, সকাল-সন্ধ্যা চলছে কেবল পাকশালা খেলা! আজকে মুরগি, কালকে গরু, সামনে খাসির ঝোল, সুবাস দেয় শুটকি চড়চড়ি আর বোয়াল মাছের কোল। কচু শাক আর লতাপাতা,
সৃষ্টির সেরা জীব এখন কর্ম তাদের নিকৃষ্টতম আল্লাহ তুমি কি দেখোনা তোমার দেয়া উপাধির হচ্ছে অবমাননা! পাহাড় সম অপরাধ নিমিষেই করবে মাফ যদি চায় ক্ষমা! এমন প্রতিশ্রুতি দিয়েছ বলে আজ
জীবন এখন — অদৃশ্য শৈবালের গায়ে জন্ম নেওয়া এক নীরব নদী, যেখানে স্রোত নেই, শুধু স্থিরতার দীর্ঘশ্বাস। হাসি একদিন—অভিমানী পাখির মতো অচেনা আকাশে উড়ে গেছে; ঠোঁটের জানালায় এখন কেবল ধুলোর
আজকের বিকেলটা ছিল একটু অন্য রকম ঝিরিঝিরি বৃষ্টি আর বরফ শীতল হাওয়ায় মন উড়ে যায় স্মৃতির বনে। বৃষ্টি ভেজা গোধূলির আলো ছায়ায় কবিতারা ভীড় জমাতো আমাদের পাশে। হাতে হাত রেখে