ধোঁয়াশা পারেনা নৈসর্গিক সৌন্দর্য পুরোপুরি ঢেকে দিতে, তবে মরিচীকার ভ্রমে কিছু সুন্দর মুহুর্ত পারে কেড়ে নিতে; মনের কথা যায়না লেখা এআই কিংবা চ্যাটজিপিটি দিয়ে, মঞ্চে বসলেই যায়না বলা কথা নিত্যনতুন
আমি ইনসান জন্মসূত্রে নেই দ্বিধা, দ্বিমত তাতে তবে হতে পারি মুসলমান, হিন্দু, বৌদ্ধ, খ্রিস্টান যাহা পড়ে ইনসানেরই মধ্যে। বাঙালি, বাংলাদেশি নিয়ে আজ মতদ্বৈতা সত্যিই নিকৃষ্টতার বহিঃপ্রকাশ নয়তো মীমাংসিত বিষয় নিয়ে
থমকে যাবে জীবন চাকা মাটির নিচে পরবে ঢাকা, থাকবে নাকো ধরার পরে হঠাৎ করে যাইবে মরে। আপন বলে ভাবছো যারে রইবে সেকি তোমার ধারে? পাড়ের কড়ি থাকলে সাথে বাঁচার দিশা
রিমিঝিমি সকাল দুপুর বৃষ্টি পড়ে টাপুরটুপুর, হৃদয় মাঝে সুজন নুপুর বাজে যেন ঝুমুরঝুমুর। জুঁই চামেলি ফুটছে বনে গন্ধ বিলায় আপন মনে, খেলা করে তারার সনে মনটি হারায় সঙ্গোপনে। ঝুমকো জবা
ছাত্র-জনতা ভীষণ চটেছে রক্তে রাঙিয়ে মুক্তির ভূমি, স্বৈরাচারী দল পিছু হটেছে বিজয়ের গান গাও আজ তুমি। বুলেট ও বোমা পরোয়া না করে বুকে পেতে নিল তাজা শত প্রাণ, গণতন্ত্র আজ
একা থাকাটাই কিন্তু সর্বোত্তম থাকা আসছি একা ভবে যেতে হবে একা ভবতরী পাড়ি দিয়ে অজানা অচেনা ঐ সেই সাড়ে তিন হাত অন্ধকার ঘরে। তাই একা চলতে পারাটাই উত্তম যার কোনো
শিক্ষক-ছাত্র সম্পর্ক মানবজীবনের অন্যতম গুরুত্বপূর্ণ একটি বন্ধন। যার ভিত্তি হলো বিশ্বাস, শ্রদ্ধা ও আন্তরিকতা। ছাত্রের প্রথম কর্তব্য হলো শিক্ষকের প্রতি সম্মান প্রদর্শন করা ও সবসময় বিনম্র থাকা। যেমন পিতা-মাতা সন্তানের
প্রেম মানেনা জাতিকুল মরুর বুকে ফোটে ফুল, প্রেমের কাছে সব তুচ্ছ ধনী গরীব কিবা উচ্চ। মনের মিল যদি হয় বয়স কোনো বাধা নয়, প্রেম মানেনা কোনো বাধা যে মানে সেই
আষাঢ় আর শ্রাবণের ঝিরঝির বৃষ্টি, থোকা থোকা ফুলে যেন কেড়ে নেয় দৃষ্টি। বর্ষা শোভিত হয় প্রকৃতির ধোঁয়াতে, আনন্দ ছন্দটা বৃষ্টির ছোঁয়াতে। কদম ফুলের শোভা ছড়ায় সুগন্ধ, ছড়াকার তুলে ধরে ছড়া
সূর্য আমার উদয় আলো চন্দ্র হ্যাজাক লাইট, মেঘের ভেলায় চড়ে আমি বিশ্ব করবো টাইট। উল্কাকে মারণাস্ত্র বানাবো তারাকে বানাবো ডালি, আল্ট্রাভায়োলেট রশ্মি দিয়ে বানাবো লেখার কালি। দ্যুলোক, ভূলোক, বিশ্বলোক সবকিছু