রঙের দুনিয়া যখন যাবে চলিয়া সুযোগ পাবেনা আসল গন্তব্যে একই দিনে দুপুর আর রাতের মধ্যে করতে ব্যবধান এমন। তাই মনা সময় থাকতে বুঝে চলো এই রঙের দুনিয়াই শেষ দুনিয়া নয়।
আবার রক্ত ঝরাও শেয়ালে, শকুনে উল্লাস করুক লাশ এর গন্ধে আবার ফিরে আসুক একাত্তর। আমি একাত্তরের কথা বলছি আমি মুক্তিযুদ্ধের কথা বলছি আমি বলছি স্বাধীনতার কথা আমি পরাধীনতার শৃঙ্খল ভেঙে
ভালোবাসাটা বড়োই অদ্ভুত তাই না? কখন কাকে কোন বয়সে ভালো লেগে যায় বলা যায় না আর ভালো লাগটা বলে আসে না। যখন একজনের প্রতি ভালোবাসা হয়ে যায় তাকে মন প্রান
তুমি জানতে চাইলে, আমি ভালো বন্ধু হবো কিনা? আমি বললাম, আমরা তো বন্ধু হয়েই আছি! তুমি বললে, কিন্তু আমার খুব ভালো বন্ধু চাই, তবে শর্ত কিন্তু একটাই! কারণে যেন কখনোই
মায়ের ছেলে মায়ের কোলে হাসছে দেখো দাদা ঐ বছর তিনেক আগে গেলো আমার মা এখন কোই? মায়ের হাতের পাইনা আদর স্নেহ অটুট ভালোবাসা দাদা আমার মা কোথায় থাকে দেখিতে জাগে
প্রেম থেকে ভিসুভিয়াসের গর্জন হয় হিমাদ্রির নিষাদে আগামীর নিশীথ হয় বাজপাখিরাও প্রতিদ্বন্দ্বী হয়। হৃদয়ের রহস্য ভেঙে পৌরানিক স্থান জেগে ওঠে ট্রয়,অনুভূতির ভাষায় হেলেন জেগে ওঠে দ্রাবিড় মহেঞ্জোদারো উপাখ্যান। বসন্তের শোভাযাত্রায়
তুমি বলেছ, রাহমানুর রহিম তুমি, তুমি বলেছ, গাফুরুর রহিম তুমি। কেন কান্না, বলবে কি? জানতে পারি কি, অজ্ঞাত হয় যদি সবই, দোষ কি ভুল কি? মানুষে এত কষ্ট কেন, মানুষে
আমার বুকে আগুন জ্বালালে, চোখের পাতায় অশ্রু ঝরালে। ক্ষমা চেয়েও হলো না পাওয়া তোমাতে আমাতে স্বর্গীয় চাওয়া। আমি ভেবেছি যন্ত্রণা সয়েছি না মিটিতে আশা ভেঙেছে খেলা মৃদঙ্গ বাজে সন্ধ্যাবেলা। বহুদিন
নারী মায়ের প্রতিচ্ছবি রৌদ্রেরঝাঁজে এক আকাশ ছায়া সহিষ্ণুতার সবটুকু ওম আঁচলে একসমুদ্র মায়া। . নারী ছুটে চলা এক নদী ক্লান্তি শেষে প্রশান্তির আশ্রয় নারী সুরভিত একটি ফুল যার বুকে জমা
মনের সবুজ অরন্য পুড়ে গেছে বহুবছর আগে,, অরণ্য পোড়ার গন্ধ ছেয়ে যায়নি কোথাও, পুড়ে যাওয়া ছাই মাড়িয়ে আবারও,,,,,,, সবুজ ঘাসের জন্ম নেয়া। সীমাহীন যন্ত্রনাভোগ শেষে একদিন নিজ অস্তিত্বের ভেতর ভালোবাসা