চিরন্তন সত্য এটাই হওয়া উচিত মানুষ মানুষের জন্য কেন ভালবাসা ভাগাভাগি করে নিই না, কেন ভালবাসা দিয়ে হাতটা প্রসারিত করি না? জীবনে খুব বেশি কিছুর কি প্রয়োজন ? এতোটুকু ছোঁয়া
মহা দুর্ভিক্ষ নামছে ধরায় বাঁচার উপায় নাই, অশনি সংকেত পবন পানে যেন শুনতে পাই। মানুষ যেন মানুষ খাবে বেশ কিছুদিন পর, এসব কথা ভাবলে শুধুই ভীষণ লাগে ডর। এমন অতীত
আয় দুটো কথা কই, বয় এইখানে– যদিও এসব কথা সকলেই জানে। যানজটে পড়ে মানুষ হেনস্তার স্বীকার, কারো নেই ভ্রুক্ষেপ! মানুষ করছে বিকার! নিভৃতের সুখ দুঃখ নিত্য জলাঞ্জলি! কে শোনে কার
মুসলিমগণে আযান হলে মসজিদ পানে যায়, নামাজ পড়ে মহান প্রভুর নৈকট্যলাভ চায়। মসজিদ হলো স্বর্গের উদ্যান ইবাদতের ক্ষণ, আযান হলে নামাজ পড়তে চলে মুসলিমগণ। দিনেই রাতে পাঁচ আযানে নামাজ অক্ত
(১) যদি বলি এম.এ.মান্নান.মান্না যদি বলি তুমি আমার জিবন চলার প্রথম প্রেরনা। যদি বলি তুমি আমার হৃদয়ের বিশাল অনুপ্রেরনা। যদি বলি তুমি আমার জিবন ও মরন আছো তুমি প্রতিটি ক্ষন।
নূরুজ্জামান ফিরোজ একাধারে ছড়াকার, গীতিকার, সাংবাদিক, গ্রাফিক ডিজাইনার, সম্পাদক, সংগঠক, সৃজনশীল আয়োজক এবং মানবিক ব্যাক্তি। বিশিষ্ট ছড়াকার নূরুজ্জামান ফিরোজ তিনি ১৯৬৯ সালের ১৮ জুলাই খুলনা শহরের খালিশপুরে জন্ম গ্রহণ করেন।
এই বাংলায় কথা গুলি এখন বন্দুকের গুলির মতো— একবার ছুটলেই কারও না কারও বুক ফাটে। এখানে শব্দ দিয়ে খুন হয় অনায়াসেই এখানে স্ট্যাটাস দিয়ে জ্বলে উঠে জনপদ! কে বলে সত্য?
সমুদ্রের বুকে জন্ম নেয় একেকটা ঢেউ— আশা নিয়ে, সাহস নিয়ে, বুকভরা স্বপ্ন নিয়ে। তার ঠিকানা জানে সে, তীর। তীর মানেই অবসান, তীর মানেই নিজেকে বিলিয়ে দেওয়া, তবু থামে না ঢেউ,
রক্তে কেনা এই পতাকা, কেন তবে ব্যথায় ভরে? স্বাধীনতার সূর্য হাসে, অন্ধকারে চারদিক ঘোরে। দিনমজুরের হাতের ঘাম, যুদ্ধের সেই রণ হুঙ্কার, রাজনীতির খেলায় তারা হয় আজ কেবল কারবার। জনতার নামে
পাহাড়ে গিয়েছিলাম আমি মেঘেদের কাছে মন খারাপের গল্প বলতে , উড়ে এলো মেঘেরদল পূর্ব পশ্চিম উত্তর দক্ষিণ হতে জড়িয়ে ছুঁয়ে বসে রইলো । আমার গল্পগুলো শুনতে শুনতে আমার কান্নার সাথে