যতো দূরে থাকো প্রিয় ভালোবাসা জানিও কিছুই চাই না বন্ধু ওগো শুধু মনটা আনিও।। ভালোবাসা মিছে আশা সবাই ক্যান কয় গো যদি তোমায় আমি হারাই মনে শুধু ভয় গো। ভেঙো
উচ্চস্বরে আওয়াজ তুলে জোকার সেজে ঘুরে! হাতে হাতে দিচ্ছে তালি হকার হয়ে দূরে। সত্য মিথ্যা পাশাপাশি কথায় কথায় জেরা, বলতে পারে ওরা কথা আমি সবার সেরা। শত শত মিথ্যে বলে
দূর গগনে মিটিমিটি জ্বলছে হাজার তারা, দূর গগনে ঝাপসা আলোয় জ্বালায় বাতি যারা। দূর গগনে ধোয়া ধোয়া কুয়াশাতে ভরা, দূর গগনে ওপার থেকে দেখছে যাদের ওরা। দূর গগনের আলোর রশ্মি
অলিখিত সার্টিফিকেটে প্রিয় ডাকনাম ভালোবাসার এক অন্যরকম রূপ বুকের গহীনে খোদাই চিত্রায়ণ, ভালোবাসার মুকুটে অহংকারের পালক, দুই আত্মার একনাম আদরের চাঁদর মুছে ফেলা বারণ এ জন্মে আমরণ। নক্ষত্রের আলো ছেদ
দশটি বছর পূরণ হল কত সময় দিলাম, ঝড় তুফানের বাধা ভেঙ্গে বন্ধু মোরা ছিলাম। কত স্বজন চলে গেছে হাসি-কান্নার মাঝে! বন্ধু কলিগ পরিচয়ে স্মৃতির ধ্বনি বাজে। দশটি বছর পূর্ণ হলো
সেই দিনগুলো কতো ভালো ছিলো ছিলাম সব একসাথে, ডালভাত ভর্তা হলেও পড়তো সবার এক
তোমাদের কাছে চাইনি ক্ষমতা চাইনি কখনো টাকাকড়ি, তোমাদের কাছে চাইনি কখনো মোদের দাও বাড়ি গাড়ি। তোমাদের কাছে চাইনি তোমাদের ঘর হতে অন্ন-বস্র দাও এও চাইনি কখনও আমাদের কাজের ব্যবস্থা করে
এক মুঠো অলস দুপুর হলোনা আমার হলোনা গোধূলি বিকেল বকুল ঝরা সন্ধ্যা , আঁধার জীবনে হলোনা কোনো পাওয়া জানিনা আমার ভালোবাসা কেনো বন্ধা! চন্দ্রিমা রাতে প্রিয়ের কাঁধে মাথা রেখে পাশাপাশি
রাজারহাট-কুড়িগ্রাম। পূজার খুশি রাশি রাশি বাজবে সুখের বাজনা বাঁশি। খোকাবাবু খুশিতে নাচে বাহ!তা ধিন ধিন। খোকাবাবু গাইছে গান ধরছে বায়না ঘুরবে মেলা কিনবে গাড়ি, হাতি ঘোড়া খাইবে সন্দেশ,মিষ্টি গোল্লা। একটা গাড়ি হবেনা খোকার কিনবে জিনিস মেলা মেলা। বন্ধুদের নিয়ে করবে মেলা,
পৃথিবীতে মানুষ বড় অসহায়! জন্মের পরে বেশীরভাগ প্রাণীর বাচ্চারা নিজের শক্তিতে হাঁটতে, খেতে এবং বিপদ থেকে আত্মরক্ষার কলাকৌশল রপ্ত করতে পারেন। কিন্তু, মানুষের বাচ্চা কিছুতে’ই নিজের শক্তিতে করতে পারেন না।