কোলাহল রেখেছে দূরে থাকবে না যে পিছুটান, ভালোবাসার সঙ্গী সাথী মধু সুরে ডাকছে জান। বলবে না তো কটুকথা আদর সহে মঞ্জুরি, চলাফেরায় ভয় হবে না রং মেখে যে মনচুরি। সবুজ
করে সম্পদের হিসাব, পরিমান যদি হয় নিসাব, ওয়াজিব হয় যে কুরবানী, তা প্রত্যেক মুসলিমেই জানি। হাবিলের কুরবানী, প্রভুর কাছে দামী, পাঠালেন অগ্নিশিখা আসমানী। জ্বল্লো বকরি,হইল কবুল তার কুরবানী। কাবিলের মানহীন
রাসেল ভাইপার, কারণ এখন দুশ্চিন্তার। চাঁদের মতো গায়ে ছোপ ছোপ দাগ যার, মোটাসোটা শরীর তার, মাথা যে চ্যাপ্টা ত্রিভুজাকার, নাম তার রাসেল ভাইপার। কেন্দ্র এখন আলোচনার, নিউজ ফিডেও একাকার। ফেবু,
টাকার বিনিময়ে হয়তোবা কারো না কারোর সময় ক্রয় বিক্রয় করা সম্ভব, কিন্তু কখনও কারোর ভালোলাগার মানুষ হওয়া যায় না! ভালোবাসা হয়ে যায় ধিরে ধিরে মনের অজান্তে। ভালোবাসার যদিও গভীরতা মাপা
সকল মাখলুকের মৃত্যু সুনিশ্চিত, শুধু সময়টাই অনিশ্চিত। আল্লাহর প্রিয় অপ্রিয় আছেন যত জন, সময় মতো করতে হবে তাঁর হুকুম পালন। স্রষ্টার সৃষ্টির সেরা করে পাঠাইলো দুনিয়ায় মানব, কর্ম দ্বারা করছি
এসো মানব ডাক হাকিলে পবিত্র সেই ঘরে, সেজদা করো আপন মনে মহান প্রভুর তরে। সেজদা মাঝে কল্যাণ কামি পথের দেখা পাবে, সেই পথেই যে গমন করলে স্বর্গের দিকে যাবে। এমন
পশ্চিমের দিকে তাকিয়ে দেখছি সূর্যটা প্রায় ডুবুডুবু, রাত কে স্বাগতম জানাতে অপেক্ষা করছে সন্ধ্যা আকাশে তারা, অন্য দিকে আকাশ টা কালো মেঘে ছেঁয়ে যাচ্ছে দু’একটা বৃষ্টির ফোটা মাটিতে গড়িয়ে পড়ছে,
আকাশ মেঘলা ছিলো, ছিলো টিপটিপ বৃষ্টি ও । অল্প সময়েই তার জোর শুরু হলো। কিছুক্ষণেই তা আরো বাড়লো । ধীরে ধীরে প্রবল হলো, বাড়লো নদীর ঢেউও। বজ্রপাতের শব্দ ও শোনা
আরব দেশের বসতবাড়ি সর্প রাসেল ভাইপার, আতঙ্কে আজ বাংলাদেশে জনগণ যে হাইপার। শত বছর আগে ছিল বিলীন উপজাতি! কৃষক চাষা জেলেপুলের হচ্ছে জীবন ক্ষতি। অতি বিষের ওষুধ নাই যে অকপটে
বৃষ্টি হলেই পানি জমে রিম ঝিমা ঝিম নুপুর, আলতো পানির উল্লাসেতে মগ্ন সকাল দুপুর। বাড়ির ছাদে অল্প পানি পায়ের পাতা ভিজে, কচি ঘাসে নরম ছোঁয়ায় শান্তি আহা কি যে। ধানের