আল্লাহর দরবারে বিনিয়োগ করো তোমার চোখের পানি, জীবনে দেখবে না অভাব, পাবে তুমি উত্তম স্বভাব। দিবেন তিনি অনেক খানি, যা কখনো নিজের চোখে দেখনি। উত্তম রিজিক আর সম্মান তিনিইতো করেন
রংতুলির আঁচড়ে পাশাপাশি অনেক রংয়ের মিলন হলো- প্রথমে সাদা তারপর সোনালী, সবুজ, লালনীল আরও কত- রং জীবনটা এমনই সময়ের কালক্রমে নদীর জলের মতো- ঢেউয়ে পর ঢেউয়ে মিশে অনেক রং খেলা
শুনেন শুনেন দেশবাসী শুনেন দিয়া মন আজব এক ছাগলের কথা করিব বর্ণনঃ বলি ভাইরে ভাই— ও বলি ভাইরে ভাই, বলে যাই আজব এক কাহিনী, ছাগলেরও তেলেসমাতি আগে শুনছেন নি? ভাইরে
বৃষ্টি ভেজা দিনটি ছিল গর্জন আকাশ ভারি, দাওয়াত ছিল জন্মদিনের এলাম তাহার বাড়ি। কারেন্ট আসে চলে যায় যে মোমের আলোয় রেখা, প্রথম দেখায় প্রেমে পরি অবাক চোখে দেখা। রংটি তাহার
শিশুর মুখে দেখলে হাসি মনটা ভরে যায়, হাসির মাঝে অবুঝ শিশু বলতে কিছু চায়। শিশুর ভাষা বুঝতে পারে মা- জননী তাই, শিশুর মুখে ফুলের হাসি খুশির সীমা নাই। আদর পেয়ে
এই বিরতিহীন সময় নিয়তির ছলা কলা এনে দেয় জীবনে রোজ শত ক্লান্তি, তুমি যদি খানিকটা জেনে কিছু পথ খুঁজে মুছে ফেলি অতীতের সব ভুলভ্রান্তি। পুনরায় এসে একবার ছুঁয়ে দিতে ব্যথাভার
চলো যাই বহুদূর পেরিয়ে রোদ্দুর। হাতে রেখে হাত সব বাঁধা কপোকাত। তুমি আমি দু’জনে মিশে রবো কূজনে। বাতাসের গর্জন করে যাব বর্জন। ধুধু বালি চারিদিক তবুও মোরা নির্ভীক। মেঘেদের লুকোচুরি
মহান প্রভুর দেয়া জ্ঞান, করি যে শিশুদের মাঝে দান। স্বপ্ন দেখি মানুষ হয়ে তারা, দেশের কল্যাণে রাখবে অবদান। ডাক্তার হয়ে করবে রোগীর সেবা, আমার চেয়ে হবে সুখী তখন কেবা? প্রকৌশলী
আষাঢ় এলেই গাছে গাছে ফুটে কদম ফুল, ফুলগুলো যে এমনই গোল যেনো কানের দুল। চালের উপর বৃষ্টি ফোঁটা পড়ে দামুড় দুমুড়, কচু পাতার ছাতা মাথায় কিশোর কাটায় দুপুর। নদীর ধারে
বর্ষায় বইছে মিষ্টি হাওয়া আষাঢ় মাসের কালে, সুভাষ ছড়ায় সাদা হলুদ কদম ফুলের ডালে। গন্ধ ছড়ায় সকাল বিকাল বাতাস বহে দিলে, টুপুর টুপুর বৃষ্টি ঝরে আমার বাড়ির ঝিলে। বৃষ্টি ভেজা