আমার ছোট ছাদে ভোর নেমে আসে একফোঁটা সূর্যের মতো, লাজুক এবং চুপচাপ। পর্দার ফাঁক দিয়ে পড়ে আলো, মাটির গন্ধ মিশিয়ে, যা শুধু আমি বুঝি। চেয়ারের ভাঙা পিঠে বসে আমি শুনি—
আমার শব্দটি নশ্বর যা অর্থহীন মনে হয়, যার ক্ষয় অবশ্যম্ভাবী, যা নিরর্থক বোকামি করে বলা আসলে আমার বলে কিছুই নেই। তবে তুমি? তুমি বলেও কিছুই নেই আমি তুমি আমরা তোমরা
ভুলে যেও না, আমার অস্তিত্বে জড়িয়ে থাকা সেসব ক্ষতচিহ্ন, যা তোমার শ্বাসের স্পর্শে একদিন মুছে গিয়েছিল। আমার চোখের সেই গভীর নীল, যেখানে একসময় তোমার স্বপ্নেরা বাসা বেঁধেছিল। তোমার ওষ্ঠের আভাসে
সবাই সবার তরে বাঁচি নিঃশ্বাসে নিরলস বিশ্বাস, মূলে রয়েছে গুপ্ত ফাঁকি স্মরণের পানে ওঠে নাভিশ্বাস। সত্য কথায় রয়েছে মহাপাপ জগতে সদা প্রচলিত নিয়মে, কদাচিৎ হবে না কখনো মাপ আসল নকলের
মাটির দেহে নূরের পুতুল নিয়ে এসেছি এই ধরাতে দেহের ওই অন্ধকারে হারিয়ে ফেলেছি তাহা যে, দেহের এই বেড়াজালে পাই না খুঁজে সেই পুতুলকে, আমার সত্তার অন্য নাম বলি আমি নূরের
আগমনী —-জানবে তবে পাঠ্য বইতে পড়ে, পুতুল জিয়া দেশের জন্যে কেমন করে লড়ে। তিনবারের ওই প্রধানমন্ত্রী বাংলা দেশে ছিলো, জাতি বর্ণ সব শ্রেণীকে স্বজন করে নিলো। দেশের স্বার্থে লড়তে গিয়ে
তোমার কোলে নিশ্চিন্তে থাকি আলো, বাতাস,আর পানি তৃপ্ত করে মোর হৃদখানি, শুয়ে শুয়ে চন্দ্রীমাকে দেখি বিরাজ করে অদ্ভুত এক অনুভূতি।। মাটির বুক চিরে বৃক্ষ লতা জন্মে অনন্য তুমি এই ধরিত্রীতে,
আরো একটি বছর হারিয়ে যাচ্ছে জীবন থেকে! পাওয়া না-পাওয়ার হাপিত্যেশ, পূর্নতা অপুর্নতার ডুবসাঁতার, সব কিছু ছাঁপিয়ে সময় চলে তার আপন খেয়ালে। ছোট্ট একটা জীবন যেন সুতো ছেঁড়া ঘুড়ি! যেন কুয়াশা
সময়ের সাথে দারুণ দ্বন্দ্ব আমার চিরকাল সময়কে পেছনে টেনে ছবি আঁকে সমকাল ক্যানভাসে নির্বাক শীতল কোনো পোর্ট্রেট এভাবেই চলে সকাল সন্ধ্যে নিশির চিত্রপট ঝড়ে উপড়ে পড়া বৃক্ষ শত শত ক্ষয়
প্রায় অর্ধ যুগ আগে থেকে,তোমার সাথে আমার পরিচয়, ফেইজ বুকের কল্যানে,কিন্তু দেখা হয়নি,সামনাসামনি। তুমি কবিতা লেখো,আমিও কবিতা লিখি,পড়ি,আবৃত্তি করি, আমার লেখা কবিতায় তুমি পন্ঞ্চমুখ,আমি কৃতজ্ঞ। তুমি একজন নারী উদ্যোগতা,সফল সমাজ