অসীম নীলিমায় ডানা মেলে দেবো
সুদর্শন বকের শুভ্রতায়।
তুমি ছুঁয়ে দিলেই আমি হবো প্রজাপতি,
রঙিন প্রচ্ছদে আকাঁ অনুরাগের আয়না!
তুমি ছুঁয়ে দিলে আমি হবো ক্লিওপেট্রা কিংবা কোন কিংবদন্তি!
আকাশের নীলিমা হতে হুরেরা ছড়াবে গোলাপের পাপড়ি,মখমলি সিঁড়ি ভেঙে পৌঁছে যাবো, কাল্পনিক প্রাসাদে
লালগালিচার সংবর্ধনা দেওয়া হবে পুরনো নিয়মে।
তুমি ছুঁয়ে দিলেই আমি হয়ে যাই
নক্ষত্রের অগ্নিকন্যা।
বিষাদের নগরে সুখের ফোয়ারা, অঞ্জলি ভরে সুখ তুলে নেই পিয়াসার
সুপেয় পানিয়!
দুঃখ জ্বরাজীর্ণ, ব্যাধি,পৃথিবী থেকে নেবে বিদায়।
অভিশাপ মুক্ত হবে কলঙ্কিত
চাঁদের শরীর।
তুমি ছুঁয়ে দিলে প্রস্ফুটিত হয় গোলাপ কলি,শিশুর নরম ঠোঁটে ফোটে জান্নাতি হাসি।
আর আমি হয়ে যাই চন্দ্র মল্লিকা মালতী মাধবী কিংবা জুঁই !
লজ্জাবনত লজ্জাবতী লতিকা।
নীলাম্বরী আঁচল উড়ে শরতের নীলে
তোমার স্বর্গীয় ছোঁয়া পেলেই বদলে যায় পৃথিবীর সকল নিয়ম।
তুমি যেন কবিতার কালো অক্ষর,বর্ণীল আলোকশক্তি!
স্রষ্টার প্রেরিত মহা সংকেত বাণী।
অন্যায়, মিথ্যা অহংকার অপসংস্কৃতি
দূর হয়ে যায়,নতুন পৃথিবী নির্মিত হবে স্বর্গের উপমায়।
রেখা