তুমিও বদলে যাও!
তুলে দাও সম্পর্কের মানচিত্রে,পাহাড় সম দীর্ঘ প্রাচীর!
বদলে যায়, সবুজ অরণ্য, গেরুয়া রঙের মিছিলে।
শীতের জীর্ণ শীর্ণ, বিবর্ন, ঝরা পাতারা খসে পড়ে, মৃত্তিকার বুকে।
যখন বদলে যায়, জীবনের চারণভূমি, ভুমিকম্পের মতো, নড়েচড়ে বসে হৃদয়ের অলিন্দ নিলয়!
রক্তপ্রবাহ শ্লথগতি, নীমিলিত আঁখি পূবালী বাতাসের, তীব্র অভিমানের বুদবুদ তৈরি করে।
আমার দৃষ্টির ধূসরতা, সুবোধ বালকের মতো, নীরবে নিভৃতে ছবি আঁকে।
তুমিও একে দাও সীমানা, পাথরের হৃদপিণ্ডে।
চলে যাও, নীলাদ্রি নীলাচল ছুঁয়ে, নীলাভ আলোর পথে।
খোঁজে নাও, নীল সাদার রুপময়তা! রচনা করো, স্বর্গের উপমায় প্রিয় কাব্য!
তুমি আমার সুনীল আকাশ,আমার অবচেতন মনের, ব্যতিক্রমী চিন্তার স্বাধীন পতাকা !
তবুও বদলে যাও, গেরুয়া সন্ন্যাসী হয়ে কষ্টের গান, উপহার দাও।
একতারায় সুর তোল বিরহের।
অনলে পোড়ে, ইঁটপাথরের মতো, আমার নরম হৃদপিণ্ড।
তুমিও বদলে যাও, অসীম নীলিমায়
দূর আকাশের নক্ষত্র হতে চাও!
আগল তুলে দাও, মনের দেয়ালে!
আমি মেঘলা আকাশের মতো, মলিন স্মৃতির চাদরে ঢেকে রাখি নিজেকে।
বদলে যায় জীবনের রঙ,বদলে যায় চাওয়া পাওয়ার হিসাব।
একান্ত কিছু অনুভব, রোদ্দুর ছুঁয়ে যায়, তোমার স্বচ্ছ কাঁচের মতো মন।
তোমার প্রতি আমার, ভালোবাসার নদী,আজও বহে সমান্তরাল।
সেই মহাকাল থেকেই হৃদয়ের আনাচকানাচ তোমার বসতি! তানপুরায় ধুলোর আস্তরণ জমেছে যদিও!
তবু্ও,
এতোটুকুও ম্লান হয়ে যায়নি,ক্ষয়িষ্ণু হয়নি,চির অমলিন তোমার প্রেমের কাব্যগাঁথা।
এতো টুকু মলিনতা স্পর্শ করেনি।
চির ভাস্বর, চির অম্লান, মহীয়ান থাকবে নক্ষত্রের মতো আলোকিত উদ্ভাস।
রেখা