প্রায় অর্ধ যুগ আগে থেকে,তোমার সাথে আমার পরিচয়,
ফেইজ বুকের কল্যানে,কিন্তু দেখা হয়নি,সামনাসামনি।
তুমি কবিতা লেখো,আমিও কবিতা লিখি,পড়ি,আবৃত্তি করি,
আমার লেখা কবিতায় তুমি পন্ঞ্চমুখ,আমি কৃতজ্ঞ।
তুমি একজন নারী উদ্যোগতা,সফল সমাজ কর্মী,
বাংলার অবহেলিত জনগোষ্ঠীর জন্য তুমি নিবেদিত।
অসহায় মানুষের জন্য ভালোবাসার অন্ত নেই তোমার,
তুমি দেশ ও জাতির জন্য এক অকুতোভয় দুঃসাহসী নারী।
তোমার ধন নেই,মান নেই,টাকা নেই,পয়সা নেই,নেই কিছুই,
তবুও মঙ্গল চিন্তায় বিভোর তুমি,নিবেদিত অনন্য নিদর্শন।
তুমি অনেক বার আমন্ত্রন জানিয়েছো,তোমার কাজ দেখতে,
তুমি সহোযোগিতায় এগিয়ে আসতে বলেছো,কিন্তু হয়নি।
যাই যাই করে যাওয়া হয়নি,আর সামনা-সামনি দেখা হয়নি,
তুমি ঢাকায় এসেছো,আমাকে বললে,ভাইয়া আমি ঢাকায়।
তুমি বললে আমাদের দেখা হবে কী?মত বিনিময় করতে চাই,
কয়েক দিন যাবত কথা ও দেখা করতে চেয়েছো,সময় হয়নি।
আজ বললে আমি আপনার অফিসের কাছাকাছি আছি,
দেখা হবে?,আমি অনেক দূরে ছিলাম,বললাম আসো তুমি।
তুমি অফিস খুঁজে পেয়েছো,অপেক্ষা করতে বললাম আমি,
যানজটের শহর ঢাকা,সব বাঁধা পেরিয়ে পৌঁছে গেলাম অফিসে।
এত দিন শুধু ছবিতেই দেখা,আজ আমার সম্মুখে পরীর রানী,
মনে হলো কত জনম জনম চেনা জানা,অনেক কথা হলো।
আমার প্রিয় সহকর্মী ও আমার মালিক বস এলেন মত বিনিময়,
স্যারের সাথে আলোচনা হলো, স্যার বললেন,এখানে কাজ করতে পারেন।
অনেক অপরচুনিটি আছে,আপনার অভিজ্ঞতা কাজে লাগাতে পারেন,
অনেক কথা,অনেক মত বিনিময়,সামনে কাজ নিয়ে এগিয়ে যাবো সম্মুখে।
এতোদিন শুধু ছবিই কথা বলতো,আজ জীবন্ত কিংবদন্তি সম্মুখে,
কী যে অনাবিল আনন্দের অনুভূতি প্রকাশ করার নয়,
অভিভূত।