চাকরি থেকে পেলাম অবসর,
তাই আপন জ্ঞাতির সাথে বাঁধি ঘর।
সময় পেলেই নেই তাঁদের খোঁজ খবর।
কারণ তাঁরাই মোর অন্তরের অন্তর,
শিক্ষক শিক্ষার্থীর জন্য ভালবাসা মোর নিরন্তর।
পানি ছাড়া যেমন বাঁচে না মাছ,
একেবারে নিঃসঙ্গ শিক্ষক জীবন
না পেলে তাঁদের উপস্থিতির আছ্।
শিক্ষক জীবনের প্রথম কর্মস্থল মনোহরগঞ্জে
১৭ নম্বর সপ্রাবি নরপাইয়া,
সেখানে আছে মোর অনেক স্মৃতি জড়াইয়া।
১৯/০৫/১৯৯০ খ্রিঃ হতে ২৯/০৬/১৯৯৪ খ্রিঃ
পর্যন্ত কর্মরত ছিলাম সেখানে,
৩০/০৬/১৯৯৪ খ্রিঃ ১৮ নম্বর বিদ্যালয়
আলীনকিপুর সহঃপ্রঃশিঃ পদে আসি প্রমোশনে।
আর্থিক সুবিধা না থাকায় সংশ্লিষ্টগণ
কিছু দিন পর এই পদের বিলুপ্তি চান।
২৫/০৫/২০০৯ খ্রিঃ পর্যন্ত এখানেই মোর অবস্থান।
প্রধান শিক্ষক পদে পদোন্নতি পেয়ে ২৯ নম্বর বিদ্যালয়
নরহরিপুর সপ্রাবিতে ২৬/০৫/২০০৯ খ্রিঃ যোগদান করি।
সেখানে কর্মরত থাকি ৩০/০১/২০১১ খ্রিঃ পর্যন্ত।
৩১/০১/২০১১ খ্রিঃ বদলি হয়ে আসি ১৬ নম্বর বিদ্যালয়ে।
উপজেলার একমাত্র অষ্টম শ্রেণিতে উন্নিতকরণ বিদ্যালয়
বর্তমান আশিয়াদারী সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়।
একটানা এক যুগ পার করি এই কর্মস্থলে
গত ৩০/০৯/২০২৩ খ্রিঃ ছিল শেষ কর্মদিবস,
এখন অবসর জীবনে করছি বসবাস।
আজকে গিয়েছি প্রথম কর্মস্থল,
আয়োজনে ছিল অনেক ফলমূল।
স্বনামধন্য প্রশি মিঃ হাফিজুর রহমান,
আমার যোগ্য উত্তরসূরী কর্মরত সহঃশি
মিঃ ফজলুর রহমান করেছে সুন্দর আপ্যায়ন।
আরও আছেন মেডাম তাসলিমা ত্রি ইন ওয়ান,
আমিই ছিলাম শুধু ইনডেক্স বিহীন।