শাহাদাত হোসেন : একজন অসহায় কোরআনের হাফেজ বীনা-চিকিৎসার আত্মকাহিনী শুনে ছুটে যান সৌদি আরব প্রবাসী মানবতার ফেরিওয়ালাক্ষেতো মিজানুর রহমান সুমন।
ছেলেটির বাড়ি মনোহরগঞ্জ উপজেলার বাইশগাঁও ইউনিয়নের মান্দারগাঁও গ্রামের। সে স্কুল শিক্ষক শাহ আলমের ছেলে হাফেজ আহসানুল কবির (১৩)।
হাফেজ আহসানুল কবির গত ৬/১২/২০২৩ বুধবার সকালে এক সড়ক দুর্ঘটনায় তার মাথার খুলি ভেঙে টুকরো টুকরো হয়ে যায়। তাকে হাসপাতালে ভর্তি করানো হলে ডাক্তার বলেন তার চিকিৎসা খরচ অনেক ব্যয়বহুল। যা তার স্কুল শিক্ষক পিতা শাহ আলমের পক্ষে সম্ভব নয়। এই বিষয়টি মনোহরগঞ্জ উপজেলার সাংবাদিক সমিতির সাধারণ সম্পাদক শাহাদাত হোসেন ও নিঃস্বার্থ ফাউন্ডেশনের সদস্য তানভীর মাহমুদ আরমান, তানভীর মাহমুদ নাইম, অন্তর, সাকিব আল হাসান, বাবলু, আব্দুর রহমান তুহিন, তুষার সহ সকলে মিলে মানবতার ফেরিওয়ালা মিজানুর রহমান সুমনের সাথে যোগাযোগ করে। তিনি শুনে সাথে সাথে হাফেজ আহসানুল কবিরের চিকিৎসার সকল ব্যয়বার তুলে নেন নিজের কাঁধে। শুরু হয় হাফেজ আহসানুল কবিরের চিকিৎসা। তার বাবা শাহ আলম বলেন, আমি আমার সন্তানের চিকিৎসা নিয়ে ভীষণ চিন্তিত হয়ে পড়ি। এতো টাকা পয়সা যোগাড় করা আমার পক্ষে অসম্ভব। আমি ভেবে ছিলাম বিনা চিকিৎসায় হয়তো আমার ছেলে মারা যাবে। কিন্তু মানবতার ফেরিওয়ালা হয়ে আমার সন্তানের পাশে এসে দাড়িয়েছেন তিনি। আমি সারাজীবন তার কাছে কৃতজ্ঞ রইলাম। এই উপকার আমি কখনো ভুলবো না।

নি:স্বার্থ ফাউন্ডেশনের সদস্য তানভীর মাহমুদ আরমান বলেন, আমরা মনোহরগঞ্জ উপজেলা সাংবাদিক সমিতির সাধারণ শাহাদাত হোসেনের মাধ্যমে বিষয়টি জানতে পারি। কিন্তু এতো টাকা পয়সা আমাদের সংগঠনের পক্ষে একা সম্ভব নয়। তাই আমরা মানবতার ফেরিওয়ালা মিজানুর রহমান সুমন ভাইয়ের সাথে যোগাযোগ করলে তিনি, হাফেজ আহসানুল কবিরের চিকিৎসার পুরো ব্যয়বার গ্রহণ করেন। সে জন্য আমরা আমাদের সংগঠনের পক্ষ থেকে তাকে ধন্যবাদ জানাচ্ছি।